সোমবার, ০৫ অক্টোবর, ২০২৬,

গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের কোনো ইচ্ছা সরকারের নেই: তথ্যমন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক

অক্টোবর ৫, ২০২৬, ০৩:১৬ পিএম

গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের কোনো ইচ্ছা সরকারের নেই: তথ্যমন্ত্রী

সরকার কোনোভাবেই গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করছে না এবং এ ধরনের কোনো ইচ্ছাও সরকারের নেই বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আন্দালিভ রহমান। সোমবার (৫ অক্টোবর) সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার সারাহ কুকের সাথে আনুষ্ঠানিক বৈঠককালে তিনি এ কথা বলেন। ওই সময় তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

সাক্ষাৎকালে তথ্যমন্ত্রী হিসেবে নতুন দায়িত্ব গ্রহণের জন্য আন্দালিভ রহমানকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক। তথ্যমন্ত্রী উল্লেখ করেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা পুরোপুরি নিশ্চিত করতে বর্তমান প্রশাসন অঙ্গীকারবদ্ধ। সাংবাদিকদের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সাধারণ নাগরিকদের ভুল তথ্য ও পরিকল্পিত অপতথ্য থেকে সুরক্ষা দেওয়াও রাষ্ট্রের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। এ প্রেক্ষাপটে গণমাধ্যম ও বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার, মানহানিকর বিষয়বস্তু এবং বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর বিরুদ্ধে কার্যকর ও কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর বিশেষ জোর দেন তিনি।

তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী জানান, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার পাশাপাশি নাগরিক অধিকারের সুরক্ষাকে সমান্তরালভাবে বিবেচনা করতে হবে। সরকার এই লক্ষ্য অর্জনে গণমাধ্যম সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের সাথে নিয়মিত আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, সাংবাদিকদের প্রাতিষ্ঠানিক ও আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিতে সরকার বিভিন্ন বাস্তবমুখী উদ্যোগ নিয়েছে, তবে এক্ষেত্রে গণমাধ্যমের মালিকপক্ষকেও দায়িত্বশীল ও সহযোগিতামূলক ভূমিকা পালন করতে হবে।

বৈঠকে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষার পাশাপাশি সাংবাদিকতার পেশাগত নৈতিক মানদণ্ড বজায় রাখার তাগিদ দেন যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার সারাহ কুক। ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রতিরোধে তিনি পদ্ধতিগত তথ্য যাচাই বা ফ্যাক্ট-চেকিংয়ের তাৎপর্য তুলে ধরেন। এ ক্ষেত্রে যুক্তরাজ্যের নিয়ন্ত্রক সংস্থা অফিস অব কমিউনিকেশনস (অফকম) এবং বাংলাদেশের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতার ক্ষেত্র রয়েছে বলে তিনি মত প্রকাশ করেন। বৈঠকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বহুমুখী সংকট মোকাবিলা, খবরের সত্যতা নিরূপণ ও দায়িত্বশীল গণমাধ্যম চর্চাসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা দ্বিপক্ষীয় বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা সম্পন্ন হয়।