মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

যে ৩ শ্রেণির ব্যক্তির নামাজ কবুল হয় না

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

এপ্রিল ৬, ২০২৬, ১২:৫১ পিএম

যে ৩ শ্রেণির ব্যক্তির নামাজ কবুল হয় না

ইসলামে নামাজের গুরুত্ব

ইসলাম ধর্মে প্রতিটি উপযুক্ত মুসলমানের ওপর নামাজ বা সালাত আদায় করা ফরজ বা বাধ্যতামূলক হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে। পবিত্র কোরআনের বিভিন্ন স্থানে মহান আল্লাহ তায়ালা সরাসরি নামাজের নির্দেশ দিয়েছেন। বিশেষ করে সুরা ত্বহার ১৪ নম্বর আয়াতে আল্লাহ তায়ালা তাঁর স্মরণে নামাজ কায়েমের নির্দেশ দিয়েছেন। 

এছাড়া সুরা বনি ইসরাঈল এবং সুরা আনকাবুতেও নিয়মিত নামাজ আদায়ের গুরুত্ব ও এর সুফলের কথা স্পষ্টভাবে বর্ণিত হয়েছে। নামাজ মূলত মানুষকে সকল প্রকার অশ্লীলতা ও মন্দ কাজ থেকে বিরত রাখে যা ইসলামের অন্যতম প্রধান শিক্ষা হিসেবে বিবেচিত হয়।

হাদিস শরিফেও সঠিক সময়ে নামাজ আদায়ের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। হজরত আবদুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রা.) থেকে বর্ণিত এক হাদিসে রাসুল (সা.) আল্লাহর নিকট সবচেয়ে প্রিয় আমল হিসেবে যথাসময়ে নামাজ আদায় করার কথা উল্লেখ করেছেন। 

এর পরবর্তী পর্যায়ে তিনি পিতা-মাতার প্রতি সদ্ব্যবহার এবং আল্লাহর পথে জিহাদের কথা বলেছেন। তবে পরকালে সফল হওয়ার জন্য শুধু নামাজ আদায় করলেই হবে না বরং তা আল্লাহর দরবারে কবুল হওয়া জরুরি। রাসুল (সা.) এর দেখানো পথ অনুযায়ী আমল না করলে সেই ইবাদত পূর্ণতা পায় না।হজরত আবু উমামা (রা.) থেকে বর্ণিত তিরমিজি শরিফের একটি হাদিসে এমন তিন ধরনের ব্যক্তির কথা উল্লেখ করা হয়েছে যাদের নামাজ আল্লাহর দরবারে কবুল হয় না। প্রথমত এমন ব্যক্তি যে তার মালিকের কাছ থেকে পালিয়ে গেছে বা অবাধ্য হয়েছে যতক্ষণ না সে ফিরে আসে। 

দ্বিতীয়ত এমন নারী যে তার স্বামীর অসন্তুষ্টি নিয়ে রাত্রিযাপন করে। দাম্পত্য জীবনে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সন্তুষ্টি ইবাদত কবুলের অন্যতম শর্ত হিসেবে বর্ণিত হয়েছে। তৃতীয়ত এমন ইমাম যাকে তার মুক্তাদি বা মুসল্লিরা সংগত কারণে অপছন্দ করেন। এই তিন শ্রেণির মানুষের সালাত তাদের কানও অতিক্রম করে না বলে নবীজি সতর্ক করেছেন। তাই পরকালে জান্নাত নিশ্চিত করতে মুমিনদের এই বিষয়গুলো এড়িয়ে চলে সঠিক পন্থায় ইবাদত সম্পন্ন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।