সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬, ১১:৪৩ এএম
হামের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় প্রথম দফায় বাদ পড়া প্রায় ৩৪ লাখ শিশুকে টিকার আওতায় আনতে দেশব্যাপী দ্বিতীয় দফার বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু করেছে সরকার।
৩১ অক্টোবর পর্যন্ত এই ক্যাম্পেইন চলবে।
শনিবার সকালে রাজধানীর বনানীর কড়াইল বস্তি সংলগ্ন খেলার মাঠে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, ২০২০ সালের পর চার বছর পরপর নিয়মিত এমআর কর্মসূচি পরিচালনার কথা থাকলেও তা বন্ধ ছিল। এর ফলে বিপুলসংখ্যক শিশু টিকা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। নতুন প্রশাসন দায়িত্ব নেওয়ার পর সেই চার বছরের খেসারত জাতিকে দিতে হচ্ছে এবং বহু মায়ের কোল খালি হয়েছে উল্লেখ করে তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন। সংকটকালীন পরিস্থিতিতে চিকিৎসকদের ভূমিকার কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, মহামারির সময়ে দেশের চিকিৎসকেরা নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। উন্নত দেশ ও প্রতিবেশীদের তুলনায় বাংলাদেশের চিকিৎসকদের আত্মত্যাগের কারণেই অতীতে সংকট মোকাবিলা সম্ভব হয়েছে।
পুষ্টিহীনতায় ভোগা শিশুদের হাম থেকে নিউমোনিয়ার জটিলতায় মৃত্যুঝুঁকি বাড়ে বলে উল্লেখ করে তিনি স্থানীয় চিকিৎসকদের সেবার প্রশংসা করেন। রোগ প্রতিরোধে সামাজিক সচেতনতা বাড়াতে গণমাধ্যমসহ সমাজের সর্বস্তরের সহযোগিতা চান মন্ত্রী।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যে জানা গেছে, চলতি বছরের এপ্রিলে ছয় থেকে ৫৯ মাস বয়সী প্রায় এক কোটি ৮০ লাখ শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে ২৮ জুনের জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ কর্মসূচিতে দুই কোটি ২৩ লাখ শিশুর উপস্থিতি থেকে প্রায় ৪৩ লাখ শিশু এমআর টিকার বাইরে থাকার তথ্য শনাক্ত হয়। সেই ঘাটতি পূরণে এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন