মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬,

এপস্টেইনের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে মুখ খুললেন মেলানিয়া ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

এপ্রিল ১০, ২০২৬, ১১:৫৪ এএম

এপস্টেইনের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে মুখ খুললেন মেলানিয়া ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রের ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প

কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইনের সঙ্গে কোনো ধরনের সম্পর্ক থাকার কথা সরাসরি অস্বীকার করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প। সম্প্রতি অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া একটি পুরনো ছবিকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া তীব্র সমালোচনার জবাবে তিনি দাবি করেছেন, এপস্টেইনের অন্ধকার জগত বা তার অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে মেলানিয়া আগে থেকে কিছুই জানতেন না।

হোয়াইট হাউসে দেওয়া এক আনুষ্ঠানিক বক্তব্যে ৫৫ বছর বয়সী মেলানিয়া ট্রাম্প বলেন, তাকে জড়িয়ে বর্তমানে যে মিথ্যা প্রচারণা চালানো হচ্ছে তা এখনই বন্ধ হওয়া উচিত। 

তিনি মনে করেন, যারা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে বা ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে এসব প্রচার করছে তাদের মধ্যে নূন্যতম নৈতিকতা ও সম্মানের অভাব রয়েছে। তবে হঠাত করে কেন এই সময়ে তিনি বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে কথা বললেন সে বিষয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ করেননি মেলানিয়া।

মেলানিয়া ট্রাম্পের দাবি অনুযায়ী, স্বামী ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়েছিল এপস্টেইনের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার অন্তত দুই বছর আগে। তিনি এটিও স্পষ্ট করেছেন যে তিনি কখনোই এপস্টেইনের কোনো ভিকটিম বা শিকার ছিলেন না। এমনকি এপস্টেইনই তাকে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন এমন প্রচলিত ধারণাটিকেও তিনি সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে অভিহিত করেন।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ডের তথ্যানুযায়ী, এর আগে প্রকাশিত কিছু নথিতে ডোনাল্ড ও মেলানিয়া ট্রাম্পকে ফ্লোরিডার মার-এ-লাগো রিসোর্টে এপস্টেইন ও তার সহযোগী ঘিসলেইন ম্যাক্সওয়েলের সঙ্গে দেখা গিয়েছিল। এই সূত্র ধরেই সমালোচকরা তাদের সম্পর্কের গভীরতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। তবে মেলানিয়া সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে তিনি কখনোই এপস্টেইনের কোনো অপরাধের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। এমনকি তিনি কখনো এপস্টেইনের ব্যক্তিগত বিমানে চড়েননি কিংবা তার রহস্যময় ব্যক্তিগত দ্বীপেও যাননি বলে উল্লেখ করেন।

উল্লেখ্য যে ২০১৯ সালে কারাগারে বিচারের অপেক্ষায় থাকাকালীন অবস্থায় এপস্টেইনের মৃত্যু হয়। তার বিরুদ্ধে অপ্রাপ্তবয়স্কদের পাচার ও ভয়াবহ যৌন নির্যাতনের অভিযোগ ছিল। তার মৃত্যুর পরও এই কেলেঙ্কারি যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতির অন্দরে একটি বড় আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে যা এখনো বর্তমান প্রশাসনের জন্য অস্বস্তির কারণ হয়ে উঠছে।