রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

লেবানন যুদ্ধবিরতিকে স্বাগত জানালেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

এপ্রিল ১৭, ২০২৬, ০২:৪৭ পিএম

লেবানন যুদ্ধবিরতিকে স্বাগত জানালেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ

লেবাননে সম্প্রতি ঘোষিত যুদ্ধবিরতির সিদ্ধান্তকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। দীর্ঘদিনের অস্থিরতা কাটিয়ে এই পদক্ষেপটি মধ্যপ্রাচ্যে একটি টেকসই ও দীর্ঘস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার পথে সহায়ক হবে বলে তিনি দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিশেষ বার্তায় প্রধানমন্ত্রী শরিফ তার এই প্রতিক্রিয়া জানান।

তার ওই বার্তায় তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমানের এই যুদ্ধবিরতি সম্ভব হয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সুদূরপ্রসারী ও সাহসী কূটনৈতিক উদ্যোগের ফলে। ট্রাম্পের নেতৃত্বের প্রশংসা করে শাহবাজ শরিফ বলেন, আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে এমন জোরালো পদক্ষেপই স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে পারে।

 একই সঙ্গে লেবাননের সার্বভৌমত্ব এবং তাদের ভৌগোলিক অখণ্ডতার প্রতি ইসলামাবাদের পূর্ণ সমর্থনের কথা তিনি পুনরায় ব্যক্ত করেন। পাকিস্তান সবসময়ই ওই অঞ্চলে শান্তি ফেরাতে যেকোনো গঠনমূলক প্রচেষ্টায় পাশে থাকবে বলে তিনি স্পষ্টভাবে জানান।

বর্তমানে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী একটি গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক সফরে রয়েছেন। বৃহস্পতিবার তিনি কাতারে পৌঁছেছেন এবং সেখানে অবস্থানরত প্রভাবশালী নেতাদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক ও আঞ্চলিক নানা ইস্যুতে বৈঠক করছেন। এর আগে তিনি সৌদি আরব সফর করেন এবং কাতার সফর শেষে তার তুরস্ক যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। মূলত মধ্যপ্রাচ্যে নিজের কূটনৈতিক প্রভাব বৃদ্ধির লক্ষ্যে তার এই সফরগুলোকে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা বেশ তাৎপর্যপূর্ণ মনে করছেন।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার দীর্ঘস্থায়ী উত্তেজনা প্রশমিত করতে পাকিস্তান সম্প্রতি বড় ধরনের মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে। দেশ দুটির মধ্যে সম্ভাব্য নতুন দফার আলোচনার অংশ হিসেবে ইসলামাবাদে ইতোমধ্যে প্রথম পর্যায়ের বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই দ্বিতীয় দফার এই গুরুত্বপূর্ণ সংলাপ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। 

লেবাননে যুদ্ধবিরতির এই নতুন আবহ সেই শান্তি প্রক্রিয়াকেও আরও ত্বরান্বিত করবে বলে অনেকে ধারণা করছেন।যাচাইকৃত তথ্য অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পাকিস্তানের এই কূটনৈতিক অবস্থান বেশ জোরালো। প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের এই সফর এবং শান্তি প্রস্তাবের প্রতি সমর্থন ওই অঞ্চলে পাকিস্তানের বৈদেশিক নীতির সক্রিয়তাকেই প্রমাণ করে।