নভেম্বর ১৬, ২০২৫, ০১:২১ পিএম
শীতের আগমনের সঙ্গে সঙ্গেই বাতাসে আর্দ্রতা কমে যায়, যার প্রভাবে ত্বক হয়ে ওঠে রুক্ষ ও খসখসে। শরীরের অন্যান্য অংশের তুলনায় পায়ের গোড়ালির ত্বক শক্ত হওয়ায় এবং ধুলাবালির সংস্পর্শে আসায় শীতে পা ফাটার সমস্যা প্রকট আকার ধারণ করে।
তবে নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা ও সামান্য যত্ন নিলেই এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।বিশেষজ্ঞদের মতে, পা ফাটা রোধে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা সবচেয়ে জরুরি।
বাইরে থেকে ফেরার পর দ্রুত পা ধুয়ে ময়েশ্চারাইজার বা ক্রিম লাগাতে হবে। তবে দিনের বেলা পেট্রোলিয়াম জেলি ব্যবহার না করার পরামর্শ দেওয়া হয়, কারণ এতে ধুলাবালি বেশি আটকায়।
ত্বক নরম রাখতে গোসলের আগে তিলের তেল বা ভেজিটেবল অয়েল হালকা গরম করে ম্যাসাজ করা যেতে পারে।সপ্তাহে অন্তত একদিন পায়ের বিশেষ যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। রাতে শোয়ার আগে উষ্ণ গরম পানিতে লবণ ও শ্যাম্পু মিশিয়ে ২০ মিনিট পা ডুবিয়ে রাখলে মরা চামড়া নরম হয়, যা স্ক্রাবার দিয়ে সহজেই পরিষ্কার করা যায়। ঘরোয়া প্যাক হিসেবে ময়দা, হলুদের গুঁড়া, লেবুর রস ও টক দই অথবা মুলতানি মাটি ও শসার রস মিশিয়ে পায়ে লাগালে ত্বক কোমল ও উজ্জ্বল হয়।
রাতে শোয়ার আগে যত্ন ও খাদ্যাভ্যাস: রাতে পা গরম পানিতে ধুয়ে শুকিয়ে গ্লিসারিন, লোশন বা ভ্যাসলিন লাগিয়ে সুতির মোজা পরে ঘুমানো পা ফাটা রোধে সবচেয়ে কার্যকর। এছাড়া শরীরে ক্যালসিয়াম ও আয়রনের ঘাটতি থাকলেও পা ফাটতে পারে। তাই খাদ্যতালিকায় সবুজ শাকসবজি, বাদাম, দুধ, পনির ও মৌসুমি ফল রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
বিশেষ সতর্কতা: যাদের ডায়াবেটিস বা ব্লাড সুগারের সমস্যা আছে, তাদের পায়ের যত্নে অতিরিক্ত সতর্ক থাকতে হবে। মরা চামড়া পরিষ্কারের ক্ষেত্রে তাদের মেটাল স্ক্র্যাপারের বদলে পলিশ স্টোন ব্যবহার করা উচিত, যাতে কোনো ক্ষত সৃষ্টি না হয়। শীতকালে কখনোই খালি পায়ে হাঁটা উচিত নয় এবং পর্যাপ্ত পানি পান করা জরুরি।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন