বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬,

আমরা ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে: আহমাদুল্লাহ

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬, ১১:০৯ এএম

আমরা ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে: আহমাদুল্লাহ

আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও বহুল আলোচিত গণভোট। ভোটের ঠিক আগের দিন, বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) দেশের অন্যতম জনপ্রিয় ইসলামী স্কলার ও আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ গণভোট নিয়ে নিজের ও সচেতন ধর্মীয় মহলের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন। 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি জানান, ইতিবাচক সংস্কার ও পরিবর্তনের স্বার্থে তিনি গণভোটে ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে। তবে এই সমর্থনের সঙ্গে তিনি সংস্কার প্রক্রিয়ায় ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধ অক্ষুণ্ণ রাখার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন।

ফেসবুক পোস্টে শায়খ আহমাদুল্লাহ স্পষ্টভাবে লিখেছেন, “ইতিবাচক সংস্কার ও পরিবর্তনের প্রশ্নে আমরা ‘হ্যা’ এর পক্ষে। একইসাথে সেই সংস্কার সংক্রান্ত সকল কার্যক্রম ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধকে সমুন্নত রেখে কার্যকর করতে হবে। 

তার এই বক্তব্য সোশ্যাল মিডিয়ায় মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায় এবং হাজারো অনুসারী তার এই সুচিন্তিত মতামতকে স্বাগত জানান। তিনি মনে করেন, রাষ্ট্র সংস্কারের প্রয়োজন অনস্বীকার্য, কিন্তু সেই সংস্কার যেন দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের বিশ্বাসের পরিপন্থী না হয়, সেদিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখা জরুরি।শায়খ আহমাদুল্লাহ তার বার্তায় ভবিষ্যৎ নির্বাচিত সরকারের প্রতি একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বের কথাও স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন। 

তিনি বলেন, “এক্ষেত্রে কোনো প্রকার ব্যত্যয় যেন না ঘটে, তা নিশ্চিত করতে চূড়ান্ত সংস্কার কার্যক্রমে প্রতিনিধিত্বশীল আলেমদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা নির্বাচিত সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হিসেবে বিবেচিত হবে।” অর্থাৎ, সংবিধান বা রাষ্ট্রযন্ত্রের যেকোনো মৌলিক পরিবর্তনে দেশের হক্কানি আলেম সমাজের মতামত গ্রহণ করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

সবশেষে তিনি তার অবস্থানকে একটি স্লোগানের মতো করে তুলে ধরেন— “হ্যাঁ-ভোট মানে শুধু পরিবর্তন নয়, হোক মূল্যবোধ অক্ষুণ্ণ রেখে পরিবর্তনের অঙ্গীকার।” নির্বাচনের ঠিক আগ মুহূর্তে দেশের একজন শীর্ষস্থানীয় ধর্মীয় ব্যক্তিত্বের এই বার্তা ভোটারদের, বিশেষ করে ধর্মপ্রাণ তরুণ সমাজের ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সংস্কারের পক্ষে রায় দিলেও তা যেন ইসলামি তাহজিব-তামাদ্দুনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক না হয়, সেই সতর্কবাণীই তিনি উচ্চারিত করেছেন।