অক্টোবর ১৯, ২০২৬, ০১:২৯ পিএম
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে মঙ্গলবার থেকে টানা পাঁচ দিনের সরকারি ছুটি শুরু হচ্ছে। আগামী ২৪ অক্টোবর শনিবার পর্যন্ত এই দীর্ঘ অবকাশের সুযোগ পাচ্ছেন সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। একই সময়ে দেশের সব ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, শেয়ারবাজার এবং আদালতের নিয়মিত কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। ছুটি শুরুর আগে সোমবারই ছিল সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শেষ কর্মদিবস।
গত ৭ অক্টোবর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে ২০ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত তিন দিন ছুটি ঘোষণা করে একটি আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এর সাথে শুক্র ও শনিবারের দুই দিনের নিয়মিত সাপ্তাহিক ছুটি যুক্ত হওয়ায় এই টানা পাঁচ দিনের ছুটির সুযোগ তৈরি হয়েছে।
এর আগে ছুটির ভারসাম্য বজায় রাখতে গত ১৭ অক্টোবর শনিবার সাপ্তাহিক ছুটির দিনে সব সরকারি অফিস খোলা রাখা হয়েছিল।
গত ৫ অক্টোবর সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে সাধারণ ছুটি ও নির্বাহী আদেশে ছুটির তারিখ পুনর্নির্ধারণের এই প্রস্তাব অনুমোদন লাভ করে।
সরকারি ছুটির নির্ধারিত ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, ২০ অক্টোবর মঙ্গলবার মহানবমী উপলক্ষে নির্বাহী আদেশে এবং ২১ অক্টোবর বুধবার বিজয়া দশমী উপলক্ষে সাধারণ ছুটি ছিল। মধ্যবর্তী কর্মদিবস হিসেবে ২২ অক্টোবর বৃহস্পতিবার অফিস খোলা থাকার কথা থাকলেও ওইদিন নির্বাহী আদেশে ছুটি ঘোষণা করা হয়। এরপর ২৩ ও ২৪ অক্টোবর সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় পুরো পাঁচ দিনের অবকাশ নিশ্চিত হয়।
তবে দীর্ঘ এই ছুটির মধ্যেও নাগরিক জীবন স্বাভাবিক রাখতে বেশ কিছু জরুরি সেবা ও দপ্তরকে ছুটির আওতার বাইরে রাখা হয়েছে।
বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি সরবরাহ, ফায়ার সার্ভিস, নৌ ও স্থলবন্দরের কার্যক্রম, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট, ডাক সেবা এবং এ সংশ্লিষ্ট কাজে নিয়োজিত সব যানবাহন ও কর্মীরা নিয়মিত দায়িত্ব পালন করবেন।
হাসপাতালসহ সব ধরনের জরুরি চিকিৎসাসেবা এবং এতে নিয়োজিত চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী ও ওষুধসহ চিকিৎসাসামগ্রী বহনকারী যানবাহন ছুটির আওতামুক্ত থাকবে।
জরুরি সরকারি কাজের সাথে সম্পৃক্ত নির্দিষ্ট দপ্তরগুলো খোলা রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
ব্যাংক লেনদেন ও অভ্যন্তরীণ কার্যক্রম চালু রাখার বিষয়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংক এবং আদালতের বিচারিক কার্যক্রমের ক্ষেত্রে সুপ্রিম কোর্ট পৃথক নির্দেশনা প্রদান করবে।
বেসরকারি শিল্পপ্রতিষ্ঠান এবং কলকারখানায় এই ছুটির কার্যকারিতা কেমন হবে, সে বিষয়ে বাংলাদেশ শ্রম আইন অনুযায়ী শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় পৃথক নির্দেশনা জারি করবে বলে প্রজ্ঞাপনে স্পষ্ট করা হয়েছে।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন