শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬,

হালান্ডকে আটকাতে গ্যাব্রিয়েলের পরীক্ষা এবং আনচেলত্তির কৌশল

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

জুলাই ৫, ২০২৬, ০৮:৪৪ পিএম

হালান্ডকে আটকাতে গ্যাব্রিয়েলের পরীক্ষা এবং আনচেলত্তির কৌশল

পাওয়ার প্রেজেন্টস পাওয়ারপ্যাক এনালাইসিস অনুষ্ঠানে ফুটবল বিশ্বের অন্যতম আলোচিত দুই তারকা আর্লিং হালান্ড এবং গ্যাব্রিয়েলের মধ্যকার লড়াই নিয়ে বিস্তারিত পরিসংখ্যান ও কৌশলগত আলোচনা করা হয়েছে যেখানে দেখা যায় আর্সেনালের বিপক্ষে হালান্ড আটটি গোল করেছেন যার মধ্যে ছয়টি গোলই তিনি গ্যাব্রিয়েলকে সরাসরি বিট করে আদায় করেছেন। 

এই পরিসংখ্যান একদিকে যেমন হালান্ডের শারীরিক ফিটনেস এবং গতির প্রমাণ দেয় তেমনি এটি বোঝায় না যে গ্যাব্রিয়েল তাকে আটকাতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ কারণ এমনও হতে পারে ম্যাচে দশবার সফলভাবে আটকানোর পর একটি ভুলের কারণেই গোলটি হয়েছে যা শেষ পর্যন্ত পরিসংখ্যানে বড় হয়ে ওঠে। তবে এই দ্বৈরথের সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিকটি হলো কোচ কার্লো আনচেলত্তির কৌশল কারণ ২০২৩ ও ২০২৪ মৌসুমে আনচেলত্তির দলের বিপক্ষে আর্লিং হালান্ড কোনো ফিল্ড গোল পাননি এবং অবশেষে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে একটি ম্যাচে তিনি পেনাল্টি ও ফিল্ড গোল মিলিয়ে দুটি গোল করতে সক্ষম হন। 

আনচেলত্তি সাধারণত আন্টোনিও রুডিগারকে দিয়ে হালান্ডকে এমনভাবে মার্কিং করান যাতে তিনি বল নিয়ে টার্ন করার কোনো জায়গা না পান এবং এই কৌশলটি চ্যাম্পিয়ন্স লিগে বেশ সফল হয়েছিল তাই বিশ্লেষকরা মনে করছেন নরওয়ের বিপক্ষে ম্যাচে গ্যাব্রিয়েলকে দিয়েও আনচেলত্তি অনুরূপ কোনো কৌশল প্রয়োগ করতে পারেন। এই ম্যাচে নরওয়ের আরেক তরুণ প্রতিভাবান খেলোয়াড় আন্টোনিও নুসা ব্রাজিলের জন্য বড় মাথাব্যথার কারণ হতে পারেন যিনি নেইমারকে আদর্শ হিসেবে মানেন এবং বাম প্রান্ত ঘেঁষে দারুণ গতিতে ৩০ থেকে ৪০ মিটার ড্রিবল করার ক্ষমতা রাখেন। 

ব্রাজিলের রাইট ব্যাক দানিলো এই মুহূর্তে দলের সবচেয়ে দুর্বল লিংক হওয়ায় নুসার আক্রমণ ঠেকানো ব্রাজিলের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হবে এবং সে কারণেই শারীরিক ফুটবলের এই ম্যাচে গোলরক্ষক এদেরসনের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে বলে মনে করা হচ্ছে। এদেরসন শুধু গোলপোস্ট সামলানো নয় বরং সিরি আ তে ৮০টি লং পাসের মধ্যে ৭২ শতাংশ নির্ভুল পাসের যে রেকর্ড গড়েছেন তা দলের আক্রমণ তৈরিতে এবং কাসেমিরোর ওপর থেকে চাপ কমাতেও সাহায্য করবে বিশেষ করে যখন কাসেমিরো ও দানিলো দুজনেরই কার্ড সমস্যা রয়েছে। এছাড়া ইনজুরি থেকে ফেরা রাফিনিয়াকে নিয়েও আলোচনা হয়েছে যেখানে মনে করা হচ্ছে তিনি দলে ফিরলেও দশ বা পনেরো মিনিটের বেশি খেলার মতো শারীরিক অবস্থায় নেই তাই সামগ্রিকভাবে এই ম্যাচটি খেলোয়াড়দের গতির পাশাপাশি কোচের কৌশলগত বুদ্ধিমত্তার এক দারুণ পরীক্ষা হতে যাচ্ছে।