জুলাই ১১, ২০২৬, ১২:০২ পিএম
২০২৬ বিশ্বকাপ শিরোপা জয়ের স্বপ্ন নিয়ে মাঠে নামলেও শেষ ষোলো থেকেই বিদায় নিতে হয়েছে ব্রাজিলকে। তবে মাঠের হতাশাজনক পারফরম্যান্সের পরও ফিফার আর্থিক পুরস্কার থেকে বড় অঙ্কের অর্থ পাচ্ছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। বিশ্বকাপে ১৬তম স্থান অর্জন করায় ব্রাজিল পাচ্ছে ১ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৯৫ কোটি টাকা।
২০২৬ বিশ্বকাপের জন্য ফিফার নির্ধারিত পুরস্কার কাঠামো অনুযায়ী, দলের পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে এই অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে। এবারের বিশ্বকাপে ফিফার মোট পুরস্কার তহবিলের পরিমাণ ৮৭১ মিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে ৭০৩ মিলিয়ন ডলার বা প্রায় ৮ হাজার ৫৭৭ কোটি টাকা দলগুলোর পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে বিতরণ করা হচ্ছে। বাকি ১৬৮ মিলিয়ন ডলার বরাদ্দ রাখা হয়েছে অন্যান্য লজিস্টিকস ও প্রশাসনিক খরচের জন্য।
চ্যাম্পিয়ন দলের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৫ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার, যা প্রায় ৬২২ কোটি টাকা। রানার্সআপ দল পাবে ৩ কোটি ৪০ লাখ ডলার। এছাড়া কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠা দলগুলো পাবে ২ কোটি ডলার। অংশগ্রহণকারী প্রতিটি দলই নির্দিষ্ট অর্থ পাবে। অংশগ্রহণ ফি হিসেবে প্রতিটি দেশ পাচ্ছে ১ কোটি ডলার। এছাড়া প্রস্তুতি ভাতা হিসেবে দেওয়া হচ্ছে ২৫ লাখ ডলার।
হেক্সা জয়ের লক্ষ্য নিয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপে নামা ব্রাজিল শেষ ষোলোতে নরওয়ের কাছে ২-১ গোলে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেয়। দ্য অ্যাথলেটিকের প্রকাশিত মূল্যায়ন অনুযায়ী, এবারের বিশ্বকাপে ব্রাজিল ১৬তম স্থান পেয়েছে। এটি তাদের বিশ্বকাপ ইতিহাসের দ্বিতীয় সর্বনিম্ন ফলাফল। এর আগে ১৯৬৬ সালের ইংল্যান্ড বিশ্বকাপেও একই অবস্থানে ছিল তারা।
দলের এই ব্যর্থতা নিয়ে কার্লো আনচেলত্তির কৌশল ও খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে নরওয়ের বিপক্ষে ম্যাচে দলের রক্ষণভাগ ও মধ্যমাঠের দুর্বলতা স্পষ্ট ছিল। এছাড়া নেইমারের মাঠের আচরণ ও ম্যাচের শেষ মুহূর্তে তার গোল করা সত্ত্বেও হতাশাজনক বিদায় ভক্তদের মনে নতুন করে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।
আগামী বিশ্বকাপের সময় ব্রাজিলের শিরোপাখরা ২৮ বছরে দাঁড়াবে। তবে বর্তমান পারফরম্যান্স ও আর্থিক হিসাব বিবেচনায় ব্রাজিল এখন ভবিষ্যতের দিকে মনোযোগ দিচ্ছে। বিশ্বকাপের এই পুরস্কারের অর্থ দলটির লজিস্টিকস, ভ্রমণ এবং প্রশাসনিক খরচ মেটাতে সহায়ক হবে।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন