মে ২৭, ২০২৬, ০৩:০৪ পিএম
পবিত্র ঈদুল আজহা কেবল পশু কোরবানির আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং ভ্রাতৃত্বের বন্ধন ও সহমর্মিতার এক উজ্জ্বল প্রকাশ। ইসলামের বিধান অনুযায়ী বছরের অন্যান্য দিনের মতো ঈদের আনন্দ প্রকাশের ক্ষেত্রেও মুসলিমদের জন্য সুনির্দিষ্ট কিছু বিধিনিষেধ বেঁধে দেওয়া হয়েছে।
উৎসবের এই পুণ্যময় দিনে কিছু গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত আমল পালনের পাশাপাশি ক্ষতিকর ও সামাজিক অনাচারমূলক কাজ থেকে দূরে থাকা একান্ত জরুরি।ঈদের রাতে বেশি বেশি ইবাদত ও মোনাজাত করা অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ।
ইসলামিক বিধি মোতাবেক, ফজর নামাজ জামাতের সাথে আদায়ের পর ঈদের সকালে দ্রুত ঘুম থেকে ওঠা মোস্তাহাব। মেসওয়াক করা, ভালোভাবে গোসল সম্পন্ন করা, সুগন্ধি ব্যবহার এবং সাধ্যের মধ্যে সবচেয়ে উত্তম পোশাক পরিধান করে ঈদগাহে যাওয়ার বিশেষ তাগিদ রয়েছে।
ঈদুল আজহার দিন ভোরে কিছু না খেয়ে খালি পেটে ঈদগাহে যাওয়া এবং নামাজের পর কোরবানির পশুর গোশত দিয়ে বছরের প্রথম খাবার শুরু করা অন্যতম প্রধান সুন্নত। এছাড়া ঈদগাহে যাওয়ার পথে উচ্চস্বরে তাকবিরে তাশরিক পাঠ করার মাধ্যমে চারপাশ মুখরিত রাখার নিয়ম রয়েছে।ঈদের দিন এবং এর পরবর্তী তিন দিন রোজা রাখা সম্পূর্ণ হারাম।
ধর্মীয় অনুশাসন অনুযায়ী, এই আনন্দের দিনে সমস্ত ব্যক্তিগত হিংসা-বিদ্বেষ ভুলে আত্মীয়তার সম্পর্ক মজবুত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সামাজিক ব্যাধি হিসেবে পরিচিত বাজি-পটকা ফোটানো, জুয়া খেলা এবং অনর্থক অপচয়মূলক হুল্লোড় থেকে সম্পূর্ণরূপে বিরত থাকতে হবে। ধনী-গরিব নির্বিশেষে সমাজের সুবিধাবঞ্চিত ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে ঈদের আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার মাধ্যমেই উৎসবের প্রকৃত সার্থকতা অর্জন সম্ভব।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন