মে ২৭, ২০২৬, ০৫:০২ পিএম
ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ মুসলিম উম্মাহর জন্য ত্যাগের মহিমায় ভাস্বর এক আনন্দের দিন। এই বিশেষ দিনটি শুধু নিছক উৎসবের নয়, বরং এর সাথে জড়িয়ে রয়েছে ইবাদতের সুনির্দিষ্ট কিছু গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ইসলামের নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) ঈদের দিন বেশ কিছু আমল করতেন, যা মুসলিমদের জন্য অনুসরণীয় সুন্নত হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
এই সুন্নতগুলো পালনের মাধ্যমে ঈদের আনন্দকে সরাসরি পূর্ণাঙ্গ ইবাদতে পরিণত করা সম্ভব।পবিত্রতার নিয়ম অনুযায়ী ঈদের দিন ভোরে দ্রুত ঘুম থেকে ওঠা, মেসওয়াক করা এবং গোসল সম্পন্ন করার বিশেষ তাগিদ রয়েছে।
ঈদের খুশির বহিঃপ্রকাশ হিসেবে নিজের সংগ্রহে থাকা সবচেয়ে ভালো ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পোশাক পরিধান করা এবং ঈদগাহে যাওয়ার আগে সুগন্ধি বা আতর ব্যবহার করা সুন্নত। ঈদুল ফিতরে কিছু খেয়ে মাঠে যাওয়ার নিয়ম থাকলেও ঈদুল আজহার দিন নামাজের আগে কিছু না খেয়ে খালি পেটে ঈদগাহে যাওয়া প্রধান সুন্নত।
নামাজ শেষে নিজের কোরবানির পশুর গোশত দিয়ে বছরের এই দিনের প্রথম খাবার গ্রহণ করার নিয়ম রয়েছে।কোনো শারীরিক অক্ষমতা না থাকলে পায়ে হেঁটে ঈদগাহে যাওয়া সওয়াবের কাজ।বাসা থেকে ঈদগাহে যাওয়ার সময় পথিমধ্যে উচ্চস্বরে তাকবির পাঠ করার মাধ্যমে চারপাশের পরিবেশ মুখরিত রাখার নিয়ম রয়েছে।
এছাড়া ঈদগাহে যাওয়ার সময় এক রাস্তা ব্যবহার করা এবং সালাত শেষে ফেরার সময় অন্য রাস্তা দিয়ে বাড়ি ফেরা একটি বিশেষ সুন্নত আমল। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে কোনো বিশেষ কারণ ছাড়া মসজিদে ঈদের নামাজ না পড়ে খোলা ময়দানে আদায় করা উত্তম। নামাজ শেষে একে অপরের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করার মাধ্যমে পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ সুদৃঢ় হয়।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন