জুলাই ৯, ২০২৬, ০৪:০৫ পিএম
বিশ্বকাপ শিরোপা ধরে রাখতে আর্জেন্টিনা দল সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালাচ্ছে, তবে নকআউট পর্বে এসে তাদের পারফরম্যান্স ও রেফারিং নিয়ে শুরু হয়েছে নানা গুঞ্জন। কেপ ভার্দে ও মিসরের বিপক্ষে জয় পেতে লা আলবিসেলেস্তেকে বেশ বেগ পেতে হয়েছে, বিশেষ করে মিসরের বিপক্ষে ম্যাচটি তীব্র বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। ওই ম্যাচে হারের পর আফ্রিকান দেশটি টুর্নামেন্ট থেকে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সরিয়ে দেওয়ার জন্য ফিফার কাছে আবেদন জানিয়েছে।মিসরের অভিযোগ, আর্জেন্টিনা দলকে বিশেষ সুবিধা দেওয়া হচ্ছে।
ম্যাচের পর মিসরীয় কোচ হোসাম হাসান দাবি করেছেন, তাদের সঙ্গে অন্যায় আচরণ করা হয়েছে এবং তারা অবিচারের শিকার। তার মতে, ফিফা বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নকে টুর্নামেন্টে টিকিয়ে রাখতে আগ্রহী। তবে এই অভিযোগের বিপরীতে পরিসংখ্যান ও বাস্তবতার কোনো অকাট্য প্রমাণ এখনো মেলেনি। মিসরের অভিযোগের ভিত্তি মূলত তাদের বাতিল হওয়া গোল এবং পেনাল্টির আবেদনের প্রত্যাখ্যান নিয়ে। তবে রিপ্লে বিশ্লেষণে পেনাল্টির দাবিগুলো অনেক ক্ষেত্রেই অস্পষ্ট থেকে গেছে, যা রেফারিংয়ের স্বাভাবিক সিদ্ধান্তের আওতায় পড়ে।
রেফারি নিয়োগের ক্ষেত্রেও প্রশ্ন উঠেছে। কোয়ার্টার-ফাইনালে ফ্রান্স ও মরক্কোর ম্যাচে আর্জেন্টিনার কর্মকর্তাদের দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টি বিতর্কের খোরাক জুগিয়েছে। যদিও উচ্চপর্যায়ের ম্যাচে নিরপেক্ষতা বজায় রাখা রেফারির অন্যতম প্রধান দায়িত্ব, তবুও এমন নিয়োগ ইতিবাচক বার্তা দিচ্ছে না বলে মনে করছেন অনেকে। এদিকে কার্ডের পরিসংখ্যান পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, ফাউলের অনুপাতে আর্জেন্টিনা তুলনামূলক কম হলুদ কার্ড পেয়েছে। তবে এটি কোনো ষড়যন্ত্র নাকি খেলার স্বাভাবিক গতিপ্রকৃতি, তা নিয়ে মতভেদ রয়েছে।
ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর সঙ্গে ইন্টার মায়ামির মাধ্যমে মেসির সম্পর্কের বিষয়টি নিয়েও অনেকে নেতিবাচক আলোচনা করছেন। এছাড়া টুর্নামেন্টের ড্র পদ্ধতি ও নকআউট বিন্যাস নিয়েও রয়েছে নানা মত। তবে এই বিষয়গুলো ফুটবল বিশ্বকাপের মতো বিশাল আয়োজনে আগে থেকেই নির্ধারিত থাকে। ফলে আর্জেন্টিনাই একমাত্র দল হিসেবে সুবিধা পাচ্ছে কি না, তা নিয়ে নিশ্চিত কোনো উপসংহারে পৌঁছানো কঠিন।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন