সোমবার, ০২ নভেম্বর, ২০২৬,

নেইমারের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার শেষ নিশ্চিত করলেন আনচেলত্তি

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬, ১০:২০ পিএম

নেইমারের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার শেষ নিশ্চিত করলেন আনচেলত্তি

আন্তর্জাতিক ফুটবলে হলুদ জার্সিতে নেইমারের বর্ণাঢ্য অধ্যায়ের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটেছে বলে নিশ্চিত করেছেন ব্রাজিল জাতীয় দলের প্রধান কোচ কার্লো আনচেলত্তি। চলতি বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর লড়াইয়ে নরওয়ের কাছে ব্রাজিলের অপ্রত্যাশিত বিদায়ের পরই আন্তর্জাতিক অঙ্গন থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছিলেন দেশটির তারকা ফুটবলার। ২০১০ সালে নিউ ইয়র্ক ও নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অভিষেক হওয়া নেইমার নিজের বিদায়ী সাক্ষাৎকারে স্পষ্ট জানিয়েছিলেন, যেখানে তাঁর শুরু হয়েছিল ঠিক সেই মাঠেই বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্নের সমাপ্তি ঘটল।

ব্রাজিল দলে নেইমারের আর কোনো বিকল্প নেই। বিশ্বকাপের মঞ্চ থেকে ছিটকে যাওয়ার পরও সমর্থকদের মাঝে একটি মৃদু প্রত্যাশা ছিল যে হয়তো অন্তত একটি আনুষ্ঠানিক বিদায়ী ম্যাচ খেলতে আবারও জাতীয় দলে দেখা যেতে পারে এই তারকাকে। এমনকি তাঁর বাবা নেইমার সিনিয়রের বিভিন্ন কথাতেও সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার কিছু ইঙ্গিত প্রকাশ পেয়েছিল। তবে সব জল্পনাকল্পনার অবসান ঘটিয়ে কোচ আনচেলত্তি জানিয়েছেন, বার্সেলোনা ও প্যারিস সেন্ট জার্মেইর সাবেক এই ফরোয়ার্ড নিজের অবস্থানে অনড় থেকেছেন এবং তিনি আর আন্তর্জাতিক ফুটবলে ফিরবেন না। 

কোচ স্পষ্ট করেই বলেছেন, মেধার কারণেই বিশ্বকাপে তাঁর জায়গা নিশ্চিত ছিল এবং এমন এক অনন্য ও অসাধারণ প্রতিভাবান ফুটবলারের কোনো সরাসরি বিকল্প খুঁজে পাওয়া অসম্ভব। বিদায়ী তারকার অভাব মেনে নিয়েই এখন ২০৩০ সালের পরবর্তী বৈশ্বিক আসরকে ঘিরে দীর্ঘমেয়াদি রূপরেখা বাস্তবায়নে মনোনিবেশ করছে ব্রাজিল ফুটবল দল। আনচেলত্তি জোর দিয়ে জানিয়েছেন, কোনো তাড়াহুড়ো না করে ধাপে ধাপে দল পুনর্গঠন করাই এখন তাদের মূল লক্ষ্য। বিশেষ করে ২০০৪, ২০০৫ এবং ২০০৬ সালে জন্ম নেওয়া তরুণদের ওপর আস্থা রেখে তাদের আগামীর শীর্ষ তারকা হিসেবে গড়ে তুলতে চায় দলীয় টিম ম্যানেজমেন্ট।

এর পাশাপাশি ২০০৮ সালে জন্ম নেওয়া একঝাঁক প্রতিভাবান কিশোর ফুটবলার পাইপলাইনে রয়েছে, যাদের এখনই সঠিক পরিচর্যার মাধ্যমে প্রস্তুত করার উপযুক্ত সময় এসেছে। ইতালিয়ান এই কোচের মতে, অভিজ্ঞতার জোরে একজন ফুটবলার ছত্রিশ বা সাঁইত্রিশ বছর বয়সেও দুর্দান্ত পারফরম্যান্স প্রদর্শন করতে পারেন, তবে ব্রাজিলের ভবিষ্যৎ অর্জনের স্বার্থে এখন তরুণদের হাতেই জাতীয় দলের দায়িত্ব তুলে দেওয়ার সময় এসেছে।