সোমবার, ০২ নভেম্বর, ২০২৬,

ঘূর্ণিঝড় মুরাসু আঘাতের দ্বারপ্রান্তে চার সমুদ্রবন্দরে সতর্কতা জারি

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

নভেম্বর ২, ২০২৬, ০৯:০৯ পিএম

ঘূর্ণিঝড় মুরাসু আঘাতের দ্বারপ্রান্তে চার সমুদ্রবন্দরে সতর্কতা জারি

পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট প্রবল ঘূর্ণিঝড় মুরাসু উত্তর-পশ্চিম উপকূলের দিকে ক্রমশ ধেয়ে আসছে। আবহাওয়া পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে জানানো হয়েছে, সোমবার (২ নভেম্বর) মধ্যরাত থেকে মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) ভোরের মধ্যে যেকোনো সময় ঝড়টি উপকূলে আঘাত হানতে পারে। ঘূর্ণিঝড়টির মূল অভিমুখ ভারতের অন্ধ্র প্রদেশ উপকূলের দিকে হলেও এর কিছুটা প্রভাব বাংলাদেশে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। 

সম্ভাব্য ঝুঁকি বিবেচনায় দেশের চারটি সমুদ্রবন্দরে সতর্ক সংকেত জারি করেছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। সোমবার সন্ধ্যায় আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্র থেকে প্রকাশিত বিশেষ বিজ্ঞপ্তি নম্বর ৯ সূত্রে এসব তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। সাগর এখন উত্তাল।

বিজ্ঞপ্তির তথ্যানুযায়ী, সোমবার দুপুর ১২টায় প্রবল ঘূর্ণিঝড়টি চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে এক হাজার ৪৭৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল। একই সময়ে এটি কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে এক হাজার ৪৪০ কিলোমিটার, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে এক হাজার ৩০০ কিলোমিটার এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে এক হাজার ৩২৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল। সে সময় ঘূর্ণিঝড়টির অবস্থান ছিল পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় ১৪ দশমিক ৫ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮১ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, প্রবল ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৬৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৯ কিলোমিটার। এটি দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ঘণ্টায় ১১৭ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর প্রচণ্ড উত্তাল রয়েছে।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সব ধরনের মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।