সোমবার, ০২ নভেম্বর, ২০২৬,
বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড়

ঘূর্ণিঝড় মুরাসু রূপ নিল প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে বন্দরে সতর্কসংকেত জারি

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

নভেম্বর ২, ২০২৬, ১০:৫৪ এএম

ঘূর্ণিঝড় মুরাসু রূপ নিল প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে বন্দরে সতর্কসংকেত জারি

পশ্চিমমধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’ আরও শক্তিশালী হয়ে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়েছে। উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে থাকা ঘূর্ণিঝড়টি সোমবার (২ নভেম্বর) রাত নাগাদ ভারতের অন্ধ্র উপকূল অতিক্রম করতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দেশের চার সমুদ্রবন্দরে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত বহাল রাখা হয়েছে। সোমবার সকালে আবহাওয়াবিদ খোন্দকার হাফিজুর রহমানের স্বাক্ষরিত ৭ নম্বর বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

বিজ্ঞপ্তির হিসাব অনুযায়ী, সোমবার ভোররাত ৩টায় প্রবল ঘূর্ণিঝড়টি ১৩ দশমিক ৭ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮২ দশমিক ৬ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে অবস্থান করছিল।

ওই সময় এটি চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে এক হাজার ৩৯০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং কক্সবাজার বন্দর থেকে এক হাজার ৩৫০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল। একইভাবে মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে এর দূরত্ব ছিল এক হাজার ২৪৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে এক হাজার ২৫৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে।

ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের কাছে সাগর অত্যন্ত বিক্ষুব্ধ রয়েছে।

কেন্দ্রের ৬৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৯ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ঘণ্টায় ১১৭ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এই অবস্থায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সব ধরনের মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি অবস্থান করে সাবধানে চলাচলের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।