সোমবার, ০২ নভেম্বর, ২০২৬,
বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড়

ঘূর্ণিঝড় মুরাসু রূপ নিল প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রাতে আঘাত হানার পূর্বাভাস

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

নভেম্বর ২, ২০২৬, ০৩:০১ পিএম

ঘূর্ণিঝড় মুরাসু রূপ নিল প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রাতে আঘাত হানার পূর্বাভাস

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’ আরও ঘনীভূত হয়ে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়ে উপকূলের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। সোমবার (২ নভেম্বর) রাতের মধ্যেই ভারতের অন্ধ্র উপকূল অতিক্রম করতে পারে এই প্রাকৃতিক দুর্যোগ। প্রবল এই ঘূর্ণিঝড়ের কারণে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে (ক্রমিক-৮) এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক স্বাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, পশ্চিমমধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’ উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে একই এলাকায় অবস্থান করছে।

সোমবার সকাল ৬টায় ঘূর্ণিঝড়টির অবস্থান ছিল ১৪ দশমিক ০ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮১ দশমিক ৮ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে।

ওই সময় এটি চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে এক হাজার ৪৪০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে এক হাজার ৪০০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল। একইভাবে মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে এর দূরত্ব ছিল এক হাজার ২৭৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে এক হাজার ২৯৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে।

ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর অত্যন্ত উত্তাল রয়েছে।

বর্তমানে প্রবল ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৬৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৯ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ঘণ্টায় ১১৭ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দেশের চার সমুদ্রবন্দরকে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত জারি রাখার পাশাপাশি উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সব ধরনের মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে অত্যন্ত সাবধানে চলাচলের পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।