জুলাই ১৮, ২০২৬, ১০:৩৮ পিএম
বিশ্বকাপ ফুটবলের ট্রফি কার হাতে উঠবে তা ফাইনাল ম্যাচের পরেই নির্ধারিত হবে। তবে ব্যক্তিগত পুরস্কারের লড়াইয়ে উত্তেজনা অন্যরকম। বিশেষ করে গোল্ডেন বুট জয়ের সমীকরণে এখনো টিকে আছেন কয়েকজন তারকা ফুটবলার, যাদের অনেকে ফাইনালের আগেই তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে মাঠে নামবেন। ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে করা গোলও গোল্ডেন বুটের হিসেবে গণ্য হয়। তাই ফাইনালের বাইরের খেলোয়াড়দের সামনেও সুযোগ রয়েছে গোলসংখ্যা বাড়ানোর।
এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে সমীকরণ পাল্টে দিতে পারেন ফুটবলাররা।বর্তমানে ৮টি করে গোল নিয়ে তালিকার শীর্ষে আছেন আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসি ও ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে। গোলসংখ্যা সমান হলেও অ্যাসিস্টে এগিয়ে থাকায় মেসি এখন শীর্ষে। সাত গোল নিয়ে আর্লিং হালান্ড তালিকার তিন নম্বরে থাকলেও তিনি আর সুযোগ পাচ্ছেন না। ইংল্যান্ডের হ্যারি কেইন ও জুড বেলিংহ্যামের গোল সংখ্যা ৬টি করে। ফ্রান্সের উসমান দেম্বেলে ও স্পেনের মিকেল ওইয়ারসাবালের ঝুলিতে রয়েছে ৫টি করে গোল। তাই তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচের পারফরম্যান্স শেষ মুহূর্তে সমীকরণ পাল্টে দিতে পারে।
ইংল্যান্ড ও ফ্রান্স তাদের শেষ ম্যাচে পূর্ণশক্তির দল নামাবে কি না তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকলেও ব্যক্তিগত অর্জনের জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ শিরোপা হাতছাড়া হওয়ার পর অনেক সময় কোচরা বেঞ্চের খেলোয়াড়দের সুযোগ দিয়ে থাকেন, যা গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে প্রভাব ফেলতে পারে।বিশ্বকাপের ইতিহাসে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে করা গোল বহুবার গোল্ডেন বুটের ভাগ্য নির্ধারণ করেছে।
২০১০ সালে জার্মানির থমাস মুলার, ১৯৯৮ সালে ক্রোয়েশিয়ার ডাভর সুকের, ১৯৯০ সালে ইতালির সালভাতোরে শিলাচি এবং ১৯৩৮ সালে ব্রাজিলের লিওনিদাস এই ম্যাচে গোল করেই গোল্ডেন বুট নিশ্চিত করেছিলেন।যদিও তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচকে অনেকে সান্ত্বনার লড়াই বলেন, তবে ব্যক্তিগত অর্জনের ক্ষেত্রে এটি ফাইনালের মতোই গুরুত্বপূর্ণ। এবারের আসরের গোল্ডেন বুট জয়ের চূড়ান্ত হিসাব পেতে তাই ফুটবলপ্রেমীদের নজর থাকবে এই ম্যাচের দিকেই।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন