বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬,
স্বর্ণ ও রুপার বাজারদর

আজকে বাজারে স্বর্ণ-রুপার দাম

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

অক্টোবর ১৫, ২০২৬, ১১:৩১ এএম

আজকে বাজারে স্বর্ণ-রুপার দাম

ছবি: দিনাজপুর টিভি আর্কাইভ

আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবান ধাতুর ধারাবাহিক ওঠানামার প্রভাবে দেশের স্থানীয় বাজারে স্বর্ণ ও রুপার নতুন বিক্রয়মূল্য কার্যকর রয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দেশের বাজারে নতুন নির্ধারিত তালিকা অনুযায়ী মূল্যবান এই দুই ধাতুর কেনাবেচা চলছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাজুস) হালনাগাদ সিদ্ধান্ত অনুসারে, বর্তমানে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে দুই লাখ ২৮ হাজার ৩১ টাকায়। 

এর আগে প্রতি ভরিতে স্বর্ণের দর তিন হাজার ২৬৬ টাকা কমানো হয়েছিল, যা গত মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাজারে কার্যকর হয়। বাজুসের তথ্য অনুযায়ী, ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণালংকারের দাম নির্ধারিত রয়েছে দুই লাখ ২৮ হাজার ৩১ টাকা।

অন্যান্য মানের মধ্যে ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে দুই লাখ ১৭ হাজার ৭৬৭ টাকায় এবং ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে এক লাখ ৮৭ হাজার ৩২ টাকা। এ ছাড়া সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ কিনতে ক্রেতাদের গুনতে হচ্ছে এক লাখ ৫৩ হাজার ৪৯৮ টাকা।

স্বর্ণের পাশাপাশি বাজারে নতুন দর অনুযায়ী রুপা বিক্রি হচ্ছে।

নির্ধারিত দর অনুসারে, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম দাঁড়িয়েছে চার হাজার ১৯৯ টাকা। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা তিন হাজার ৯৬৬ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে তিন হাজার ৪৪১ টাকায়। অন্যদিকে সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে দুই হাজার ৬২৪ টাকা।

অলংকার কেনাবেচা ও পরিবর্তনের ক্ষেত্রে বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট বাণিজ্যিক নিয়ম কার্যকর রয়েছে।

গহনা ক্রয়ের ক্ষেত্রে অলংকারের নকশা ও কারুকাজভেদে মজুরি প্রযোজ্য হবে। স্বর্ণ ও রুপার অলংকারের ঘোষিত বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে প্রয়োজনীয় সরকারি মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) ইতিমধ্যে অন্তর্ভুক্ত থাকায় ক্রেতার কাছ থেকে আলাদাভাবে আর কোনো ভ্যাট আদায় করা যাবে না। অন্যদিকে পুরোনো অলংকার বদল বা রূপান্তরের (এক্সচেঞ্জ) ক্ষেত্রে মজুরি ও পাথরের দাম বাদ দিয়ে মূল মূল্যের ওপর ১২ শতাংশ কর্তন করার নিয়ম রয়েছে। একইভাবে গ্রাহকের কাছ থেকে সরাসরি পুরোনো স্বর্ণ ক্রয়ের (পারচেজ) ক্ষেত্রে কার্যকর বাজারমূল্য থেকে ১৮ শতাংশ বাদ দিয়ে মূল্য পরিশোধের বিধান রাখা হয়েছে।