অক্টোবর ২, ২০২৬, ১২:২২ পিএম
সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই থেকে ইসরায়েলের তেলআবিবগামী একটি যাত্রীবাহী উড়োজাহাজ মাঝ আকাশে চরম বিপর্যয় থেকে রক্ষা পেয়েছে। ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের দাবি, ফ্লাইটের ক্যাপ্টেনকে হাতুড়ি বা ছুরি দিয়ে আঘাত করে বিমানটি ভূপাতিত করার চেষ্টা করেছিলেন কো-পাইলট। আকস্মিক ওই ঘটনার সময় বিমানের কয়েকজন যাত্রীর উপস্থিত বুদ্ধিমত্তার কারণে ভয়াবহ দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে।
বিমানের পতন ঠেকান এক যাত্রী।
উদ্ধার তৎপরতায় অংশ নেওয়া ওই যাত্রীর নাম ইয়ানিভ হাইয়ুন। তিনি পেশায় একজন মিস্ত্রি। পাইলটদের মধ্যে ধস্তাধস্তির সময় উড়োজাহাজটি বিপজ্জনকভাবে নিচের দিকে নেমে আসছিল। সেই মুহূর্তে ইয়ানিভ ককপিটে প্রবেশ করে পাইলটের আসনে বসেন। উড়োজাহাজের নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা পেছনের দিকে টেনে ধরে খাড়াখাড়ি পতন আটকে সেটিকে সোজা করেন তিনি। পরবর্তীতে ফ্লাইটে থাকা দায়িত্বে না থাকা একজন পাইলটের সহায়তায় সৌদি আরবের তাবুক বিমানবন্দরে বিমানটি জরুরি অবতরণ করতে সক্ষম হয়।
সৌদি আরব থেকে ইসরায়েলে ফিরে যুদ্ধাপরাধে অভিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ইয়ানিভ। নেতানিয়াহু তাকে জিজ্ঞেস করেন কীভাবে তিনি পরিস্থিতি সামলেছিলেন। জবাবে ইয়ানিভ জানান, নিয়মিত বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনা সংক্রান্ত বিভিন্ন টেলিভিশন অনুষ্ঠান দেখতেন তিনি। সেখান থেকেই উড়োজাহাজ পরিচালনার প্রাথমিক ধারণা তৈরি হয় তার। তিনি জানান, উড়োজাহাজ দুর্ঘটনা তদন্তের অনুষ্ঠান দেখার মাধ্যমেই এই কৌশলগুলো তার জানা ছিল।
ঘটনার বিশদ বিবরণ দিয়ে ইয়ানিভ জানান, ককপিটের কাছে পৌঁছে তারা ক্যাপ্টেনকে রক্তাক্ত অবস্থায় দরজার মুখে পড়ে থাকতে দেখেন। কয়েকজন মিলে তাকে দ্রুত সেখান থেকে সরিয়ে ককপিটে ঢোকেন। আক্রমণকারী কো-পাইলটকে ধরে মাটিতে চেপে রাখা হয়। এরপর তিনি পাইলটের আসনে বসে জরুরি নিয়ন্ত্রণ টেনে ধরলে বিমানটি ভয়াবহ বিপর্যয় থেকে রক্ষা পায়।
তথ্যসূত্র: দ্য সান

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন