আগস্ট ৭, ২০২৫, ১২:১৬ পিএম
পেটের মেদ কমানো অনেকের কাছেই একটি কঠিন চ্যালেঞ্জ। পছন্দের পোশাক পরতে না পারা, আত্মবিশ্বাস কমে যাওয়া এবং স্বাস্থ্যঝুঁকি—এসব কারণে পেটের মেদ একটি বড় দুশ্চিন্তার বিষয়। তবে সঠিক পদ্ধতি অনুসরণ করলে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। দিল্লির এমস ও হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজিস্ট ডা. সৌরভ শেঠি পেটের মেদ কমানোর জন্য ৩টি কার্যকর উপায় জানিয়েছেন।
১. রাতের খাবার দ্রুত ও হালকা খান ডা. সৌরভ শেঠির মতে, আমাদের দেশে বেশিরভাগ মানুষ রাতে ভারী খাবার খান এবং তা-ও অনেক দেরিতে। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার ঠিক আগে ভারী খাবার খেলে হজম প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়, যা মেদ বৃদ্ধির অন্যতম কারণ। তিনি পরামর্শ দিয়েছেন, রাতের খাবার সন্ধ্যা ৭টা থেকে ৮টার মধ্যে হালকা পরিমাণে স্যুপ বা সালাদের মতো খাবার দিয়ে সেরে ফেলা উচিত। এতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে হজমের জন্য পর্যাপ্ত সময় পাওয়া যায় এবং বিপাকের হার ঠিক থাকে, যা ওজন কমাতে সাহায্য করে।
২. গরম পানি পান করুন ডা. সৌরভের মতে, হজমের প্রক্রিয়া স্বাভাবিক রাখতে গরম পানি পান করা জরুরি। ঠান্ডা পানি হজমের গতি কমিয়ে দেয়, অন্যদিকে গরম পানি হজমে সাহায্য করে। হজম প্রক্রিয়া ভালো হলে বিপাকের হারও ঠিক থাকে এবং এটি ওজন কমাতে সহায়তা করে। তাই প্রতিদিন হালকা গরম পানি পান করার অভ্যাস গড়ে তোলা যেতে পারে।
৩. বিশেষ মসলা ও ভেষজ খাবারে রাখুন কিছু বিশেষ মসলা ও ভেষজ শরীরের উষ্ণতা বজায় রাখতে এবং টক্সিনমুক্ত করতে সাহায্য করে। ডা. সৌরভ বলেন, “আদা, গোলমরিচ, হলুদ ও দারুচিনির মতো মসলা নিয়মিত খেলে শরীরের বিপাক প্রক্রিয়া সচল থাকে।” এছাড়াও, আমলকী, হরীতকী ও বয়রা—এই তিন ফলের মিশ্রণ 'ত্রিফলা' শরীরকে দূষণমুক্ত করে। মেথি ও জিরাও একই কাজে সাহায্য করে। এসব মসলা ও ভেষজ পেটের মেদ কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
এই ৩টি সহজ কৌশল মেনে চললে পেটের মেদ কমানো অনেক সহজ হতে পারে। নিয়মিত এই অভ্যাসগুলো বজায় রাখলে শুধু পেটের মেদই কমবে না, সামগ্রিকভাবে স্বাস্থ্যও ভালো থাকবে।



দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন