সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬,

জ্বালানি তেল নিয়ে সুখবর দিলেন প্রতিমন্ত্রী

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

মার্চ ১৫, ২০২৬, ১২:৪১ পিএম

জ্বালানি তেল নিয়ে সুখবর দিলেন প্রতিমন্ত্রী

তেল সরবরাহ স্বাভাবিক

দেশে জ্বালানি তেল বিক্রির ওপর আরোপিত সব ধরনের বিধিনিষেধ প্রত্যাহার করা হয়েছে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত আজ রবিবার রাজধানীতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সরকারের এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের কথা জানান। এর ফলে গ্রাহকরা এখন থেকে কোনো প্রকার সীমা ছাড়াই তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেল সংগ্রহ করতে পারবেন। 

মূলত আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সাধারণ মানুষের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে এবং বর্তমান সেচ মৌসুমে কৃষিখাতে নিরবচ্ছিন্ন তেল সরবরাহ নিশ্চিত করতেই এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী জানান যে আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা ও মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতির কারণে সরবরাহে যে শঙ্কা তৈরি হয়েছিল তা এখন অনেকটাই কেটে গেছে। জ্বালানি তেলবাহী কয়েকটি জাহাজ ইতোমধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে এবং সেগুলো থেকে তেল খালাস প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এর ফলে দেশের মজুদ ও সরবরাহ ব্যবস্থা বর্তমানে সন্তোষজনক অবস্থায় রয়েছে। 

সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ায় আগের জারি করা রেশনিং ব্যবস্থা বজায় রাখার আর কোনো প্রয়োজন নেই বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়। সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশের ফিলিং স্টেশনগুলোতে আগের মতোই স্বাভাবিক কর্মতৎপরতা ফিরে আসবে।উল্লেখ্য যে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহ কমে যাওয়ায় এবং আমদানি ব্যয় বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কায় গত ৬ মার্চ থেকে তেল বিক্রিতে কড়াকড়ি আরোপ করেছিল সরকার। 

শুরুর দিকে মোটরসাইকেলের জন্য মাত্র ২ লিটার তেল কেনার সীমা নির্ধারণ করা হয়েছিল যা পরবর্তীতে রাইড শেয়ারিং চালকদের দাবির মুখে ৫ লিটার করা হয়। এছাড়া সারা দেশে ফিলিং স্টেশনগুলোতে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ ২৫ শতাংশ কমিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তবে ঈদের আগে ঘরমুখো মানুষের যাতায়াত এবং বোরো মৌসুমে সেচ পাম্পগুলোর প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করে এই কড়াকড়ি পুরোপুরি তুলে নেওয়া হলো। এতে সাধারণ ভোক্তা থেকে শুরু করে পরিবহন মালিক ও কৃষকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরবে বলে আশা করা হচ্ছে।