অক্টোবর ৬, ২০২৬, ১১:০০ এএম
বিয়ের পর স্বামী-স্ত্রীর জীবনে কী ঘটে, তা নিয়ে পর্দায় গল্প খুব একটা দেখা যায় না। তরুণ নির্মাতা জাহিদ প্রীতম সেই ভাবনা থেকেই নির্মাণ করেছেন ‘হ্যাপিলি ম্যারিড’। সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানীর মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের সিভিক অডিটোরিয়ামে চরকির এই নতুন ওয়েব ফিল্মের প্রিমিয়ার শো অনুষ্ঠিত হয়।
এই সিনেমার মধ্য দিয়ে প্রথমবারের মতো ছোট পর্দার জনপ্রিয় মুখ কেয়া পায়েলের সঙ্গে জুটি বেঁধেছেন ঢালিউড তারকা আরিফিন শুভ। প্রিমিয়ার শেষে সংবাদকর্মীদের মুখোমুখি হন তিনি। সিনেমাটির বিষয়বস্তু যেহেতু দাম্পত্য জীবন, তাই এই তারকার কাছে প্রশ্ন রাখা হয়েছিল বিবাহিত জীবনে সুখে থাকার রেসিপি কী।
উত্তরে হাসিমুখে শুভ জানান, বিবাহিত জীবনে সুখী থাকার উপায় হচ্ছে প্রতি সপ্তাহে একবার করে ‘হ্যাপিলি ম্যারিড’ দেখা। শুক্রবার সকালে উঠে এটি একবার করে দেখলে সুখী বিবাহিত জীবন কাটানো সম্ভব বলে রসিকতা করেন তিনি।
তার এমন জবাবে উপস্থিত প্রায় সকলেই হেসে ওঠেন। সহশিল্পী কেয়া পায়েল ও অন্যান্য কলাকুশলীদের প্রসঙ্গে আরিফিন শুভ জানান, ক্যামেরার পেছনের মানুষসহ পুরো দলের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা দারুণ ছিল। সবাই মিলে অনেক কষ্ট করলেও কাজটিতে তারা বেশ আনন্দ পেয়েছেন। দর্শকদের পর্দায় তাকে নিয়মিত না পাওয়ার কারণ জানতে চাইলে তিনি জানান, তিনি নিজে কাজের কারণ বা সুযোগ তৈরি করেন না, বরং সুযোগ তার কাছে আসে। সামনে এমন কাজ যত বেশি তৈরি হবে, দর্শকরা তাকে তত বেশি পর্দায় পাবেন। কিছুদিন আগে শুভ তার ভেরিফায়েড ফেসবুকে শুধু ‘হ্যাপিলি ম্যারিড’ লিখে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন।
এই স্ট্যাটাস নিয়ে ভক্তদের মাঝে ব্যাপক কৌতূহল তৈরি হয়েছিল। অনেকে ভেবেছিলেন এটি তার ব্যক্তিগত জীবনের কোনো ঘোষণা, তবে পরে জানা যায় সেটি মূলত এই সিনেমারই প্রচারণার অংশ। সিনেমাটির গল্প এগিয়েছে এ যুগের জটিল মনস্তাত্ত্বিক ও সামাজিক টানাপোড়েনকে কেন্দ্র করে। গল্পের এক প্রান্তে রয়েছেন সহজ-সরল ও সৎ যুবক আনিস, যে চরিত্রে অভিনয় করেছেন শুভ। অন্যদিকে রয়েছেন উচ্চবিত্ত ও আধুনিক শহুরে সংস্কৃতির চাদরে মোড়ানো তরুণী অনামিকা, যার স্বপ্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের রোমাঞ্চ আর ভার্চুয়াল জগতের রঙিন দুনিয়াকে ঘিরে। অনামিকা চরিত্রে দেখা যাবে কেয়া পায়েলকে। ছবিয়াল সহ-প্রযোজিত ও চরকি প্রযোজিত ‘মিনিস্ট্রি অব লাভ’ প্রজেক্টের সপ্তম এই ওয়েব ফিল্মটি আগামী ৮ অক্টোবর মুক্তি পেতে যাচ্ছে।
প্রিমিয়ার অনুষ্ঠানে আরিফিন শুভ ছাড়াও চরকির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেদওয়ান রনি, নির্মাতা জাহিদ প্রীতম, অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশা, দীপা খন্দকার, অভিনেতা ও নির্মাতা সালাহউদ্দিন লাভলু এবং আরেফিন জিলানীসহ সিনেমার অন্যান্য কলাকুশলীরা উপস্থিত ছিলেন।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন