সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬, ০১:১৬ পিএম
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীদের মধ্যে এখনও ৮১৭ জনের তথ্য যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া বাকি রয়েছে। এসব প্রার্থীর বর্তমান ঠিকানা এবং প্রয়োজনীয় দাপ্তরিক তথ্যাদি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আগামী ১ অক্টোবর পর্যন্ত এই কার্যক্রম চলমান থাকবে এবং এরপর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
মন্ত্রী জানান, নিয়োগের জন্য প্রাথমিকভাবে নির্বাচিতদের মধ্যে অনেকে ব্যক্তিগত ঠিকানা পরিবর্তন করেছেন। কারও কারও সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও সংযোগ স্থাপন করা সম্ভব হচ্ছে না। এ বাস্তবতায় আনুষ্ঠানিক নিয়োগপত্র হস্তান্তরের আগে সংশ্লিষ্টদের যাবতীয় তথ্যাদি নিশ্চিত হওয়া বাধ্যতামূলক হয়ে পড়েছে। বর্তমানে মাঠপর্যায়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তারা প্রয়োজনীয় যাচাই কার্যক্রম শেষ করে নিয়োগপত্র প্রদানের প্রক্রিয়া এগিয়ে নিচ্ছেন। এই পুরো কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়মিত ও পর্যায়ক্রমে প্রকাশ করা হচ্ছে।
যাচাই-বাছাইয়ের সময়সীমা স্পষ্ট করে শিক্ষামন্ত্রী উল্লেখ করেন যে নির্দিষ্ট ৮১৭ জনের তথ্য নিশ্চিত করার প্রক্রিয়া ১ অক্টোবর পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। এর মধ্যে প্রার্থীদের সঠিক ঠিকানা বা প্রয়োজনীয় দাপ্তরিক তথ্যের সত্যতা পাওয়া গেলে তাদের চূড়ান্ত বিবেচনায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে। নিয়োগ সংক্রান্ত বিভিন্ন খবরের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, কিছু গণমাধ্যমে এমন বিভ্রান্তিকর প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে যা চাকরিপ্রার্থীদের মাঝে অযথা উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। প্রকৃতপক্ষে গণমাধ্যমে নেতিবাচক খবর এলেও পরবর্তীতে অনেকেই বৈধ নিয়োগপত্র হাতে পেয়েছেন।
নিয়োগপ্রক্রিয়া সম্পূর্ণ শেষ না হওয়া পর্যন্ত যোগ্যদের ধাপে ধাপে নিয়োগপত্র দেওয়া হবে। ফলে যারা এখনও নিয়োগপত্র পাননি, তাদের বিষয়ে যাচাই সম্পন্ন হওয়ার আগে কোনো ধরনের বিভ্রান্তিকর সিদ্ধান্তে না পৌঁছানোর আহ্বান জানান তিনি। যাচাই পর্ব শেষে মোট কতজন প্রার্থী শেষ পর্যন্ত নিয়োগের জন্য যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন, তা এ মুহূর্তে নির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেন মন্ত্রী। ১ অক্টোবর পর্যন্ত সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে সামগ্রিক পরিস্থিতি মূল্যায়ন করে চূড়ান্ত ঘোষণা আসবে।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেলসহ শিক্ষা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের শীর্ষ কর্মকর্তারা।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন