সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬, ০২:২৫ পিএম
দেশে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস বা এলপিজির কোনো ঘাটতি নেই বলে স্পষ্ট জানিয়েছে সরকার। অসাধু উদ্দেশ্যে এই জ্বালানি মজুত করে বাজারে কৃত্রিম সংকট কিংবা জনঅসন্তোষ সৃষ্টির চেষ্টা চালালে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। মঙ্গলবার সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনায় আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান এই সতর্কবার্তা দেন।
উপদেষ্টা জানান আগস্ট মাসে দেশে মোট এক লাখ ৫৭ হাজার ৭৬০ মেট্রিক টন এলপিজি আমদানি করা হয়েছে। আর চলতি সেপ্টেম্বর মাসে এ পর্যন্ত দেশে এসেছে এক লাখ ১৮ হাজার মেট্রিক টন গ্যাস। সরকারি পর্যালোচনায় উপস্থাপিত হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী বর্তমানে দেশে এলপিজির সরবরাহ ও সামগ্রিক মজুত পরিস্থিতি সম্পূর্ণ সন্তোষজনক অবস্থায় রয়েছে। ব্যবসায়ীদের সাথে সরকারের আলোচনার দিকটিও তিনি তুলে ধরেন।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার সাথে আয়োজিত সাম্প্রতিক এক পর্যালোচনা সভায় আমদানিকারক ও অপারেটররা নিশ্চিত করেছেন যে বাজারে সরবরাহে কোনো সংকট নেই। এলপিজির আমদানি, মজুত, সরবরাহ পরিস্থিতি ও বাজারদর পর্যালোচনায় আয়োজিত ওই মতবিনিময় সভায় তারা এই নিশ্চয়তা দেন। তবে পর্যাপ্ত মজুত থাকার পরেও দেশের কোথাও কোথাও খুচরা পর্যায়ে দাম বাড়ানোর যে অনাকাঙ্ক্ষিত প্রবণতা দেখা যাচ্ছে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
বিশ্ববাজারের জল্পনামূলক আচরণও মূল্যের ওপর কিছুটা প্রভাব ফেলছে বলে মন্তব্য করেন তথ্য উপদেষ্টা। আন্তর্জাতিক বাজারের এই প্রবণতা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করে সরকার মাঠপর্যায়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি দাবি করেন বিগত সময়ের বিশৃঙ্খলা কাটিয়ে সরকার স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে এনেছে এবং মাঠপর্যায়ে সহিংসতা আগের চেয়ে অনেকটাই কমেছে। একই সাথে নতুন সাইবার সুরক্ষা আইন চূড়ান্ত হলে ডিজিটাল মাধ্যমে অপতথ্য প্রচার অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন