রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬,

মেসির জোড়া গোলে ইন্টার মিয়ামির জয়

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

অক্টোবর ১৮, ২০২৬, ১২:২৪ পিএম

মেসির জোড়া গোলে ইন্টার মিয়ামির জয়

ছবি: সংগৃহীত

আর্জেন্টিনার জাতীয় দলের জার্সিতে আবেগঘন বিদায়ী ম্যাচ খেলার পরই ক্লাবের আঙিনায় আলো ছড়ালেন লিওনেল মেসি। তার চমৎকার জোড়া গোলের ওপর ভর করে আটলান্টা ইউনাইটেডকে ৩-১ ব্যবধানে হারিয়েছে ইন্টার মিয়ামি। যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকারের প্লে-অফের আগে এই জয়ে টানা তিন ম্যাচে পূর্ণ সাফল্য ধরে রাখল দলটি।

শনিবার আটলান্টার মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচের প্রথমার্ধে দুই দলের মধ্যেই সমানে সমানে লড়াই চলে। তবে বিরতির ঠিক আগমুহূর্তে সফরকারী মিয়ামি কাঙ্ক্ষিত লিড পায়। লুইস সুয়ারেজের কাছ থেকে বল পেয়ে হেডের মাধ্যমে তা জার্মান বেরতেরামেকে বাড়িয়ে দেন মেসি। বেরতেরামের লক্ষ্যভেদে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় দলটি।

দ্বিতীয়ার্ধে মাঠে নেমে পুরো খেলার নিয়ন্ত্রণ নিজেদের মুঠোয় তুলে নেয় মিয়ামি।

খেলার ৫৬ মিনিটে বেরতেরামের বাড়ানো বল ডি-বক্সের মাঝখানে পান মেসি। সেখান থেকে চমৎকার বাঁ পায়ের শটে আটলান্টার জাল কাঁপান আর্জেন্টাইন মহাতারকা। এর চার মিনিট পরই প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগ চূর্ণ করে সুয়ারেজের পাস নিয়ন্ত্রণে নেন তিনি এবং নিখুঁত ফিনিশিংয়ে নিজের দ্বিতীয় ও দলের তৃতীয় গোলটি এনে দেন।

ম্যাচের একেবারে শেষ ভাগে ৮৯ মিনিটে পেনাল্টি থেকে ফাফা পিকো গোল করে আটলান্টার ব্যবধান কিছুটা কমান। তবে বাকি সময়ে আর কোনো অঘটন না ঘটায় ৩-১ ব্যবধানের সহজ জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে ইন্টার মিয়ামি।

এই জোড়া গোলের ফলে চলতি মৌসুমে এমএলএসে মেসির গোলসংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৫-এ। সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে থাকা পেতার মুসা ও মিলান ইলোস্কির চেয়ে পরিষ্কার ছয় গোলে এগিয়ে থেকে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন তিনি।

পাশাপাশি সতীর্থকে দিয়ে গোল করানোর ক্ষেত্রেও নজির গড়েছেন তিনি। গোল সহায়তার তালিকায় সন হিউং-মিনের সঙ্গে যৌথভাবে শীর্ষে উঠে এসেছেন মেসি। এর মধ্য দিয়ে মেজর লিগ সকারের ইতিহাসে প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে টানা তিন মৌসুমে কমপক্ষে ১৫টি করে অ্যাসিস্ট করার বিরল রেকর্ড গড়েছেন এই বিশ্বকাপজয়ী ফুটবলার।

জাতীয় দল থেকে বিদায়ের পর ইন্টার মিয়ামির হয়ে খেলা শেষ তিন ম্যাচে চার গোল করে দারুণ ফর্মের জানান দিচ্ছেন ৩৯ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড। ইতিমধ্যে প্লে-অফ নিশ্চিত করা ইন্টার মিয়ামি এখন শিরোপা ধরে রাখার লক্ষ্যে তাদের এই ধারাবাহিক ছন্দ ধরে রাখতে মনোযোগী হচ্ছে।