জুন ১১, ২০২৬, ০৬:২১ পিএম
দেশের ক্রমবর্ধমান তথ্যপ্রযুক্তি খাতের অসীম সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে এবং নতুন নতুন উদ্ভাবনী মেধাকে উৎসাহিত করতে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের নতুন বাজেটে ৫০০ কোটি টাকার এক বিশেষ বিশেষ আর্থিক বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেলে জাতীয় সংসদে দেশের ৫৫তম জাতীয় বাজেট পেশ করার সময় এই অত্যন্ত সময়োপযোগী স্টার্টআপ বান্ধব তহবিল গঠনের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানান অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
বর্তমান নতুন গণতান্ত্রিক সরকারের প্রথম এই ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বিশাল মেগা বাজেটে দেশের তরুণ সমাজকে স্বাবলম্বী করার বিষয়টিতে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।নতুন আইটি ফ্রিল্যান্সার ও উদ্যোক্তাদের টেকসইভাবে বাজারে টিকিয়ে রাখাই মূলত এই বিশেষ রাজকীয় ফান্ডের মূল লক্ষ্য।বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী স্পষ্ট করে বলেন যে তথ্যপ্রযুক্তি খাতের বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ সম্ভাবনা বিবেচনায় নিয়ে এ খাতে নতুন নতুন প্রতিভাকে অনুপ্রাণিত করার জন্য আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দের সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব করা হলো।
এই সংগৃহীত বিশাল সরকারি অর্থ সম্পূর্ণ রাষ্ট্রীয় ‘স্টার্ট-আপ তহবিল’ বা বিশেষ অনুদান হিসেবে দেশজুড়ে একযোগে বিতরণ করা হবে। এই বিশেষ বরাদ্দের একটি বড় অংশ দেশের সম্ভাবনাময় নারী উদ্যোক্তা তৈরিতে, নারীর সামগ্রিক ক্ষমতায়ন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে এবং জেলা-উপজেলা পর্যায়ের সাধারণ তরুণ উদ্যোক্তাদের ব্যবসায়িক মূলধন জোগাতে অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে ব্যবহার করা হবে।
আইটি খাতের সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকদের মতে, সরকারের এই সময়োপযোগী আর্থিক প্রণোদনার কারণে দেশের প্রযুক্তিভিত্তিক স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমে এক অভূতপূর্ব গতিশীলতা ফিরে আসবে। এটি দক্ষ তরুণদের চাকরিপ্রার্থী হওয়ার পরিবর্তে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টিকারী বা চাকরিদাতা হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠা করতে প্রধান ভূমিকা রাখবে। এই ফান্ডের সঠিক ও স্বচ্ছ ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব হলে আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের রপ্তানি আয়ও আগামী কয়েক বছরে বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে বলে আশা প্রকাশ করেছে অর্থ বিভাগ।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন