সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬, ১২:৪৪ পিএম
দৈনন্দিন খাদ্যাভ্যাস ও সুস্বাস্থ্য নিয়ে সচেতনতা বাড়ার সাথে সাথে মানুষের প্রাত্যহিক খাদ্যতালিকায় যুক্ত হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের বীজ। শারীরিক সুস্থতা রক্ষায় চিয়া বীজ, তিসি বীজ, কুমড়ার বীজ, তিল ও তুলসি বীজের মতো পুষ্টিসমৃদ্ধ খাদ্য উপাদান নিয়মিত গ্রহণ করছেন অনেকে। তবে এসব বীজ কীভাবে খাওয়া হচ্ছে তার ওপর পুষ্টির কার্যকারিতা গভীরভাবে নির্ভর করে। সর্বোচ্চ সুফল পেতে প্রতিটি বীজ গ্রহণের সঠিক নিয়ম জানা জরুরি।
উপাদানভেদে খাওয়ার পদ্ধতি আলাদা রাখা দরকার। আঁশ, আমিষ ও ওমেগা-তিন ফ্যাটি এসিডে ভরপুর চিয়া বীজ খাওয়ার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো তা পানিতে ভিজিয়ে দইয়ের সঙ্গে মিশিয়ে নেওয়া। এতে প্রোবায়োটিকের কার্যকারিতা বৃদ্ধির পাশাপাশি বীজের সম্পূর্ণ পুষ্টি সহজেই শরীরে শোষিত হয়।
তিসি বীজ খাওয়ার ক্ষেত্রে শুকনো তাওয়ায় ভেজে গুঁড়া করে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। এই গুঁড়ার সঙ্গে মৌরি মিশিয়ে মুখশুদ্ধি হিসেবে খেলে তা পেটের ফাঁপা ভাব ও গ্যাসের সমস্যা কমাতে সাহায্য করে। ক্যালসিয়ামের ঘাটতি মেটাতে তিল বীজ অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা রাখে। তিল বীজ গুঁড়া করে রুটি তৈরির সময় আটার সঙ্গে মিশিয়ে নিলে সহজেই বাড়তি ক্যালসিয়াম শরীরে পৌঁছায়।
দেহে ম্যাগনেসিয়ামের জোগান বাড়ানোর সহজ উপায় হলো কুমড়ার বীজ। হালকা ভেজে নেওয়া কুমড়ার বীজ তাজা ফলের টুকরোর ওপর ছড়িয়ে খাওয়া হলে একদিকে স্বাদে পরিবর্তন আসে, অন্যদিকে প্রয়োজনীয় খনিজের চাহিদাও পূরণ হয়।
কোষ্ঠকাঠিন্য ও পেটের নানা জটিলতায় তুলসি বীজ বিশেষ সমাধান হিসেবে কাজ করে। তুলসি বীজ ভিজিয়ে ডাবের পানির সঙ্গে মিশিয়ে পান করলে হজম প্রক্রিয়া উন্নত হয় এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা থেকে দ্রুত উপশম মেলে।
খাবারের তালিকায় এসব উপাদানের সঠিক সংযোজন শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদে সুস্থতা ধরে রাখতে সাহায্য করে।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন