ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬, ১২:২৪ পিএম
মাউশি তাদের আওতাভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজনের বিষয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যেসব প্রতিষ্ঠান এই প্রতিযোগিতা আয়োজন করতে ব্যর্থ হয়েছে, তাদের বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে জারি করা এক জরুরি চিঠিতে বলা হয়েছে যে, আগামী ৫ মার্চের মধ্যে এই তথ্যগুলো অবশ্যই সংশ্লিষ্ট ইমেইল ঠিকানায় পাঠাতে হবে।
অধিদপ্তরের শারীরিক শিক্ষা বিভাগ এর আগে নির্দেশনা দিয়েছিল যে, ৩১ জানুয়ারির মধ্যে সকল নিম্ন মাধ্যমিক, মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং স্কুল অ্যান্ড কলেজে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা সম্পন্ন করতে হবে।
যারা এই নির্দেশনা পালন করেনি, তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়ার অংশ হিসেবেই এই তালিকা তৈরি করা হচ্ছে।অধিদপ্তর থেকে সকল অঞ্চলের উপ-পরিচালকদের কাছে পাঠানো এই নির্দেশনায় বলা হয়েছে যে, জেলাওয়ারি প্রতিষ্ঠানগুলোর তালিকা তৈরি করে নির্দিষ্ট জিমেইল ঠিকানায় পাঠাতে হবে।
তথ্যের ছকে প্রতিষ্ঠানের নাম, ইআইআইএন নম্বর, প্রতিষ্ঠান প্রধানের নাম এবং সচল মোবাইল নম্বর যুক্ত করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এ ছাড়া কেন নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রতিযোগিতা আয়োজন করা সম্ভব হয়নি, সে বিষয়ে মন্তব্যের ঘরে কারণ উল্লেখ করতে হবে। মূলত শিক্ষার্থীদের শারীরিক গঠন এবং মানসিক বিকাশে সহ-পাঠ্যক্রমিক কার্যক্রমের গুরুত্ব নিশ্চিত করতেই মাউশি প্রতি বছর এই নির্দেশনা দিয়ে থাকে।
মাউশি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান একাডেমিক কার্যক্রমের দোহাই দিয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার মতো গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্টগুলো এড়িয়ে যায়, যা শিক্ষার্থীদের শারীরিক শিক্ষার অন্তরায়। এই প্রবণতা বন্ধ করতেই এবার কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। নির্ধারিত সময় অর্থাৎ ৫ মার্চের মধ্যে তথ্য পাঠাতে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধানদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা হতে পারে বলে অধিদপ্তরের চিঠিতে আভাস দেওয়া হয়েছে। এই নির্দেশনার ফলে মাঠ পর্যায়ের শিক্ষা কর্মকর্তাদের মধ্যে দৌড়ঝাঁপ শুরু হয়েছে এবং যেসব প্রতিষ্ঠান এখনো এই আয়োজন করেনি তারা নতুন করে চাপে পড়েছে।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন