ডিসেম্বর ২৯, ২০২৫, ০৭:২৩ পিএম
বিশেষজ্ঞদের মতে, খেজুর খাওয়ার কোনো নির্দিষ্ট বাধ্যতামূলক সময় নেই। তবে নিচের সময়ে খেলে শরীরের বিশেষ উপকার হয়দিনের শুরুটা ২-৩টি খেজুর দিয়ে করলে শরীর দ্রুত শক্তি পায়। এটি পরিপাকতন্ত্রকে সক্রিয় করে, অন্ত্র পরিষ্কার রাখে এবং হৃদ্যন্ত্র ও লিভারের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
ব্যায়াম বা ওয়ার্কআউটের ৩০-৬০ মিনিট আগে খেজুর খাওয়া দারুণ কার্যকর। খেজুরে থাকা প্রাকৃতিক চিনি রক্তে শর্করার মাত্রা বজায় রাখে এবং দীর্ঘ সময় শরীরকে সচল রাখার শক্তি (এনার্জি বুস্টার) জোগায়।
রাতে ঘুমানোর আগে খেজুর খেলে দীর্ঘ সময় পেট ভরা থাকে। ফলে গভীর রাতে অকারণে ক্ষুধা লাগা বা উল্টোপাল্টা স্ন্যাকস খাওয়ার প্রবণতা কমে, যা ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক। এছাড়া এটি হজমেও সহায়তা করে।খেজুর নিয়মিত খেলে যে ৭টি উপকার পাবেন
১. হাড়ের সুরক্ষা: খেজুরে থাকা খনিজ উপাদান হাড়কে শক্তিশালী করে। ২. কোষ্ঠকাঠিন্য দূর: প্রচুর ফাইবার থাকায় এটি হজম প্রক্রিয়াকে উন্নত করে। ৩. রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা: শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বা ইমিউনিটি বৃদ্ধি করে। ৪. মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য: স্মৃতিশক্তি বাড়াতে এবং আলঝাইমার রোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। ৫. ত্বক ও চুলের উজ্জ্বলতা: নিয়মিত খেজুর খেলে ত্বক ও চুলে প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা আসে। ৬. ক্যানসার প্রতিরোধ: এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট দীর্ঘস্থায়ী রোগের ঝুঁকি কমায়। ৭. ওজন নিয়ন্ত্রণ: দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখে বলে অতিরিক্ত খাবার গ্রহণ থেকে বিরত থাকা যায়।কখন খেজুর খাওয়া এড়িয়ে চলবেন?
সব সময় খেজুর খাওয়া উপকারী হলেও নিচের পরিস্থিতিগুলোতে সাবধান থাকা জরুরি:
ভারী খাবারের পর: লাঞ্চ বা ডিনারের পরপরই খেজুর খেলে পেটে গ্যাস বা হজমে সমস্যা হতে পারে।
ডায়রিয়া হলে: খেজুরে থাকা সোর্ভিটল পাতলা পায়খানার সমস্যা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।
অ্যালার্জি বা আইবিএস: যাদের আইবিএস (IBS) সমস্যা আছে, তাদের উচ্চ ফ্রুক্টোজযুক্ত খেজুর খেলে হজমে গোলমাল হতে পারে।
বিশেষ টিপস: ডায়াবেটিস রোগীরা চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে দিনে ১-২টি খেজুর খেতে পারেন, কারণ এতে থাকা পলিফেনল ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন