মে ১৯, ২০২৬, ০৮:৫৯ পিএম
বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মাধ্যমে দেশের প্রতিটি গ্রাম আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের মূল কেন্দ্রে পরিণত হবে। বৈষম্যমুক্ত ও ন্যায়ভিত্তিক নিরাপদ সমাজ বিনির্মাণে এই বাহিনীর ৬০ লাখ সদস্যের সাহস ও নিষ্ঠায় দেশ আরও সমৃদ্ধ হবে বলে আশা করা যায়। আজ মঙ্গলবার ১৯ মে ২০২৬ তারিখে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ৪৬তম জাতীয় সমাবেশ-২০২৬ উপলক্ষে দেওয়া এক বিশেষ ফেসবুক পোস্টে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই মন্তব্য করেন।
তিনি দেশ গড়ার এই শুভলগ্নে বাহিনীর সব স্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের আন্তরিক অভিনন্দন জানান।প্রধানমন্ত্রী তাঁর বার্তায় মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী এই সুশৃঙ্খল বাহিনীর ৬৭০ জন বীর শহীদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন।
দেশের যেকোনো জরুরি প্রয়োজনে আনসার বাহিনীর সদস্যদের সময়োপযোগী ভূমিকার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন যে গত ফেব্রুয়ারি মাসে দেশব্যাপী সম্পূর্ণ অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই বাহিনী প্রশংসনীয় দায়িত্ব পালন করেছে।
দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় ধরে চলা ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটিয়ে বাংলাদেশ এখন গণতন্ত্রের নতুন পথে যাত্রা শুরু করেছে এবং দেশে সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার প্রতিষ্ঠায় বর্তমান সরকার কাজ করছে। একটি স্বনির্ভর ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার এই যাত্রাপথে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর গুরুত্ব অপরিসীম।স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ঐতিহাসিক স্লোগান স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন যে গণপ্রতিরক্ষা ও সামাজিক উন্নয়নের এই বাহিনীর সঙ্গে দেশের প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষের এক শক্তিশালী সেতুবন্ধন রয়েছে।
বর্তমানে দেশের গুরুত্বপূর্ণ শিল্প-কারখানা, হাসপাতাল ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা রক্ষায় ৫২ হাজারের বেশি অঙ্গীভূত আনসার সদস্য নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। নিবেদিতপ্রাণ এই স্বেচ্ছাসেবী সদস্যদের বিজ্ঞানভিত্তিক পরিবেশ সুরক্ষা, সামাজিক বনায়ন, খাল খনন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে সাধারণ জনগণের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে আরও কার্যকরভাবে কাজে লাগানো সম্ভব। যুবসমাজকে দক্ষ উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে আনসার-ভিডিপি যে সুনির্দিষ্ট প্রশিক্ষণ কাঠামো তৈরি করেছে তা একটি উৎপাদনমুখী রাষ্ট্র গঠনে সহায়ক শক্তি হিসেবে বড় ভূমিকা রাখবে।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন