মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর, ২০২৬,

সচিবালয়ে জার্মান রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বিমানমন্ত্রীর বৈঠক

জাতীয় ডেস্ক

অক্টোবর ৬, ২০২৬, ০৮:৩৩ পিএম

সচিবালয়ে জার্মান রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বিমানমন্ত্রীর বৈঠক

দেশের অ্যাভিয়েশন হাবের অগ্রযাত্রায় লুফথানসার সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী সরকার। আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে মন্ত্রীর অফিস কক্ষে বাংলাদেশে নিযুক্ত জার্মান রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লটজের নেতৃত্বে লুফথানসার একটি প্রতিনিধি দল সৌজন্য সাক্ষাৎ ও বৈঠক করতে গেলে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে বিমান চলাচল, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের উন্নয়ন এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বিমানমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, বাংলাদেশ ও জার্মানির মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ভিত্তিতে বেসামরিক বিমান খাতে সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের ব্যাপক সুযোগ রয়েছে।

লুফথানসা বিশ্বে একটি প্রখ্যাত এভিয়েশন প্রতিষ্ঠান বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশের অ্যাভিয়েশন হাবের অগ্রযাত্রায় মেইনটেনেন্স রিপ্যায়ার অ্যান্ড ওভারহল বা এমআরও স্থাপনের বিষয়ে লুফথানসার বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে। তাছাড়া দেশেই দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে লুফথানসা বিমানের সঙ্গে একত্রে কাজ করতে পারে।

এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত জানান, ২০১৭ সাল থেকে দেশে আসা কার্গোর ক্ষেত্রে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের আরোপিত হাই রিস্ক কার্গো অ্যান্ড মেইল স্ট্যাটাস বহাল রয়েছে। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর সকল পর্যবেক্ষণের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, সম্প্রতি সম্পন্ন হওয়া নিরাপত্তা অডিটে নব্বই শতাংশের বেশি রেটিং অর্জন করেছে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। তাই এই এইচআরসিএম প্রত্যাহারের বিষয়ে জার্মানির সহযোগিতা সরকারের কাম্য।

মন্ত্রী বলেন, সরকার বিমান বাংলাদেশের উন্নয়নে দশটি এয়ারবাস ক্রয়ের চুক্তি সইয়ের জন্য কাজ করছে। তবে এয়ারবাসের ডেলিভারির সময়কাল এগিয়ে আনা জরুরি। এ সময় তিনি ২০৩০ সালের আগেই এয়ারবাসের ডেলিভারি শুরু হওয়ার ব্যাপারে বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। বৈঠকে উভয়পক্ষই বাংলাদেশ ও জার্মানির মধ্যে বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও গভীর করার পাশাপাশি বিমান যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং পর্যটন খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে নিজেদের আগ্রহ প্রকাশ করে।