রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

ঢাবিতে খামেনির গায়েবানা জানাজা ও বিক্ষোভ মিছিল

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

মার্চ ২, ২০২৬, ১১:২৩ এএম

ঢাবিতে খামেনির গায়েবানা জানাজা ও বিক্ষোভ মিছিল

ঢাবিতে গায়েবানা জানাজা

ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় নিহত ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির গায়েবানা জানাজা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত রবিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি চত্বরে এই জানাজা সম্পন্ন হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভাইস প্রেসিডেন্ট সাদিক কায়েম জানাজায় ইমামতি করেন। 

জানাজা শেষে ডাকসুর নেতৃত্বে একটি বিশাল বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয় যা ক্যাম্পাস ও হলপাড়া প্রদক্ষিণ করে টিএসসির সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।

সমাবেশে ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম বলেন যে বিশ্বজুড়ে মুসলমানদের ওপর চলমান জুলুম ও নিপীড়নের অন্যতম প্রধান কারণ হলো মুসলিম রাষ্ট্রগুলোর মধ্যকার অনৈক্য। তিনি সারা বিশ্বের যুবসমাজ ও রাষ্ট্রপ্রধানদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার জোর দাবি জানান। কূটনৈতিক আলোচনার পরিবেশ থাকাকালীন ইসরায়েল ও মার্কিন বাহিনীর এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে তিনি বলেন।

যে নেতাদের হত্যা করে কখনোই কোনো আদর্শকে স্তব্ধ করা যায় না বরং সারা বিশ্বের মজলুম মানুষ এই আদর্শকে আরও প্রবলভাবে ধারণ করবে। তিনি সতর্ক করেন যে বর্তমান আগ্রাসনের বিরুদ্ধে বিশ্ব মুসলিম সমাজ যদি সোচ্চার না হয় তবে এর পরিণতি আরও ভয়াবহ হতে পারে।সমাবেশে ডাকসুর ছাত্র পরিবহন সম্পাদক আসিফ আব্দুল্লাহ এবং সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক মোসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ বক্তব্য রাখেন। 

তারা অভিযোগ করেন যে ফিলিস্তিন, ইরান ও ইরাকসহ মুসলিম দেশগুলোতে নির্বিচারে হত্যাযজ্ঞ চললেও প্রভাবশালী বিশ্ব মিডিয়া ও শক্তিধর রাষ্ট্রগুলো নীরব ভূমিকা পালন করছে। এই নীরবতাকে তারা প্রশ্নবিদ্ধ বলে অভিহিত করেন এবং ন্যায়বিচার না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে থাকার ঘোষণা দেন। বক্তারা আরও বলেন যে খামেনি হত্যার বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক নিন্দা জানানো উচিত ছিল। তারা মার্কিন ও ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে স্পষ্ট বিবৃতি দেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। জানাজা ও মিছিলকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাস এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা বজায় ছিল।