মার্চ ১২, ২০২৬, ১০:১৮ এএম
পারস্য উপসাগরে ইরাকি জলসীমায় দুটি বিদেশি তেল ট্যাংকারে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। বৃহস্পতিবার ১২ মার্চ সংঘটিত এই হামলায় অন্তত একজনের মৃত্যু হয়েছে এবং জাহাজ দুটি থেকে ৩৮ জন বিদেশি ক্রু সদস্যকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার মাধ্যম আইআরআইবি জানিয়েছে, পানির নিচে বিশেষ ড্রোন ব্যবহার করে এই জোড়া হামলা চালানো হয়েছে এবং ইরান আনুষ্ঠানিকভাবে এই ঘটনার দায় স্বীকার করেছে।
ইরাকের বন্দর কোম্পানির মহাপরিচালক ফারহান আল-ফারতুসি নিশ্চিত করেছেন যে উদ্ধারকৃত সকল ক্রু বিদেশি নাগরিক। তবে হামলার ফলে জাহাজগুলোর ক্ষয়ক্ষতির সুনির্দিষ্ট পরিমাণ এখনো জানা যায়নি। নিরাপত্তার স্বার্থে বসরার তেল বন্দরগুলো সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
হামলার শিকার জাহাজ দুটির একটি মাল্টার পতাকাবাহী জেফাইরোস এবং অন্যটি মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের পতাকাবাহী সেফসি বিষ্ণু। এর মধ্যে সেফসি বিষ্ণুর মালিকানায় রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক কোম্পানি সেফসি ট্রান্সপোর্ট ইনকর্পোরেটেড এবং জেফাইরোস গ্রিসের একটি প্রতিষ্ঠানের মালিকানাধীন।
ইরাকের তেল বিপণন সংস্থা সোমো জানিয়েছে, ইরাকি জলসীমার সাইডলোডিং এলাকায় অবস্থানকালে জাহাজ দুটিতে আকস্মিক এই আক্রমণ চালানো হয়। হামলার সময় জেফাইরোস খোর আল-জুবায়ের বন্দরে প্রবেশের প্রস্তুতি নিচ্ছিল এবং জাহাজটি বসরা গ্যাস কোম্পানির জন্য কনডেনসেট বহন করছিল।
ইরাকের যৌথ অপারেশন কমান্ডের মিডিয়া প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল সাদ মান এই ঘটনাকে ইরাকি সার্বভৌমত্বের চরম লঙ্ঘন বলে আখ্যায়িত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, এই বেআইনি হামলার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার অধিকার ইরাক সরকার সংরক্ষণ করে। বর্তমানে এই নাশকতার বিষয়ে নিবিড় তদন্ত শুরু করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
সূত্র: সিএনএন


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন