জুন ২৪, ২০২৬, ০৮:৫৯ এএম
সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য প্রস্তাবিত নবম জাতীয় পে-স্কেলের বিভিন্ন কারিগরি ও আইনি বিষয় চূড়ান্ত করতে আজ বৈঠকে বসছে পে-স্কেল সংক্রান্ত সচিব কমিটি। বেতন বৃদ্ধি, গেজেট প্রকাশ, বাস্তবায়নের ধাপ নির্ধারণ, ভাতা বৃদ্ধি এবং দীর্ঘদিনের বেতন বৈষম্য নিরসনসহ নানা জটিলতা দূরীকরণে এই সভায় গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আসতে পারে। সচিবালয়ে অনুষ্ঠিতব্য এই বিশেষ সভায় মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির নেতৃত্বে কমিটির সব সদস্য উপস্থিত থাকবেন।
আজ বুধবার এই গুরুত্বপূর্ণ নীতিনির্ধারণী সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।অর্থ মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, সচিব কমিটির প্রাথমিক প্রস্তাবনা অনুযায়ী তিন ধাপে নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের চিন্তাভাবনা করা হলেও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দাবির প্রেক্ষিতে এটি দুই ধাপে করা যায় কি না, তা নিয়ে আলোচনা হবে।
দুই ধাপে বাস্তবায়ন করা হলে আগামী ১ জুলাই থেকে শতভাগ বেসিক বা মূল বেতন বৃদ্ধি পাবে। এ ছাড়া পে-কমিশনের মূল সুপারিশের কতটুকু কার্যকর করা হবে এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম আইবাস এর মাধ্যমে হিসাব-নিকাশ কীভাবে সহজ করা যায়, সেটিও সভায় স্থান পাবে। বিশেষ করে ১১তম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের বেতন বৈষম্য দূর করার বিষয়টি এবার বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের তথ্য অনুযায়ী, নতুন পে-স্কেল আগামী ১ জুলাই থেকে কার্যকর হলেও প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে টাকা পেতে সাধারণ কর্মচারীদের আরও দুই থেকে তিন মাস সময় লাগতে পারে।
এবার উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের তুলনায় নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীদের বেতন বেশি বাড়ানোর একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে। সরকারি ব্যয় নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি মূল্যস্ফীতির চাপ মোকাবিলায় নিম্ন আয়ের কর্মচারীদের সহায়তা করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সেই অনুযায়ী ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের ক্ষেত্রে বেতন বৃদ্ধির ৬০ শতাংশ এবং ১ম থেকে ৯ গ্রেডের কর্মকর্তাদের মূল বেতন বৃদ্ধির ৪০ শতাংশ আগামী অর্থবছর থেকে কার্যকর করার একটি প্রস্তাব টেবিলে রয়েছে।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন