সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

এবার মালয়েশিয়ার কাছে হারল বাংলাদেশ

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

নভেম্বর ২৬, ২০২৫, ০৯:৫৯ পিএম

এবার মালয়েশিয়ার কাছে হারল বাংলাদেশ

প্রায় ১৩ বছর পর জাতীয় স্টেডিয়ামে ফিরেছিল বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল। প্রত্যাবর্তনের সেই দিনটি স্মরণীয় করে রাখার স্বপ্ন ছিল সমর্থকদের—কিন্তু মাঠের গল্প লিখল হতাশা।

তিন বছর আগে যাদের ৬-০ গোলে হারিয়েছিল মেয়েরা, সেই মালয়েশিয়ার বিপক্ষেই এবার তিন জাতি সিরিজের প্রথম ম্যাচে ০-১ ব্যবধানে হার নিয়ে মাঠ ছাড়তে হলো পিটার বাটলারের দলকে।

প্রথমার্ধেই ম্যাচটির নিয়ন্ত্রণ হারায় বাংলাদেশ। ২৯ মিনিটে মাঝমাঠ থেকে নুহাদফিনা মোফ ফিরদাউসের বুদ্ধিদীপ্ত চিপে বল পান নুর আইনসিয়া বিনতি মুরাদ।

তার গতি সামলাতে ব্যর্থ হন বাংলাদেশের সেন্টারব্যাক কোহাতি কিসকু। পোস্ট ছেড়ে আগানো গোলরক্ষক রুপনাকে কাটিয়ে বক্সের বাইরে থেকে কোনাকুনি শটে জাল খুঁজে নেন মালয়েশিয়ান মিডফিল্ডার।কোচ পিটার বাটলারের সেই হাই লাইন ডিফেন্সে খেলার কৌশলই—যা থাইল্যান্ড সফরেই সমালোচিত হয়েছিল—আবারও বিপদ ডেকে আনল।বাংলাদেশ গোলের সম্ভাবনা তৈরি করলেও ফিনিশিং দুর্বলতায় তা কাজে আসেনি। ম্যাচের সবচেয়ে স্পষ্ট সুযোগটি আসে দ্বিতীয়ার্ধের ৬৮ মিনিটে। সুলতানার থ্রু বলে বাম প্রান্ত দিয়ে উঠে ঋতুপর্ণার দারুণ ক্রসে সাগরিকার হেড পোস্ট ঘেঁষে বাইরে চলে যায়।

তবে রক্ষণভাগের দুর্বলতা পুরো ম্যাচেই স্পষ্ট ছিল। দ্বিতীয়ার্ধে বারবার হাই লাইনের ফাঁক গলে মালয়েশিয়ার খেলোয়াড়রা উঠে আসে। ভাগ্য ভালো যে গোলরক্ষক রুপনা চাকমা একাই অন্তত তিনটি নিশ্চিত গোল বাঁচিয়ে রাখেন। শেষ মুহূর্তে মারিয়া মাঝমাঠ থেকে বক্সে ঢুকে শট নিলেও মালয়েশিয়া গোলরক্ষক নুরুল আজুরিনের কাছে হার মানেন।পিটার বাটলারের দলের সমস্যা এখন স্পষ্ট—আক্রমণে ধারহীনতা, রক্ষণে অস্থিরতা আর একই ভুলের পুনরাবৃত্তি। তিন জাতি সিরিজের শুরুটা হলো হতাশায়; বাকি ম্যাচগুলোতেই এখন ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ।