বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

ভারতের বিপক্ষে টানা হারের রেকর্ড থেকে মুক্ত বাংলাদেশ

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬, ০৩:৩২ পিএম

ভারতের বিপক্ষে টানা হারের রেকর্ড থেকে মুক্ত বাংলাদেশ

ছবি: সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে শক্তিশালী ভারতের বিপক্ষে টানা সর্বোচ্চ পরাজয়ের অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ড থেকে অবশেষে শীর্ষস্থান হারিয়েছে বাংলাদেশ। দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে আফগানিস্তান হেরে যাওয়ায় এই অস্বস্তিকর তালিকার এক নম্বরে উঠে এসেছে আফগানরা। মঙ্গলবার স্বাগতিক ভারতের কাছে সাত উইকেটে পরাজিত হয়ে ভারতের বিপক্ষে টানা দশম হারের তিক্ত স্বাদ পেয়েছে সফরকারী আফগানিস্তান দল।

টানা পরাজয়ের শীর্ষস্থান থেকে নেমে গেল লাল-সবুজের দল। এর আগে কুড়ি ওভারের ক্রিকেটে ভারতের বিপক্ষে টানা সর্বোচ্চ নয়টি ম্যাচে হারের রেকর্ডটি এতদিন বাংলাদেশের দখলে ছিল। ২০১৯ সালের ৩ নভেম্বর দিল্লিতে ঐতিহাসিক জয়ের পর থেকে বিশ ওভারের ক্রিকেটে ভারতের বিপক্ষে আর কোনো জয়ের মুখ দেখেনি টাইগাররা। ২০১৯ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত টানা নয়টি ম্যাচে পরাজিত হয়েছিল বাংলাদেশ দল। শুধু তাই নয়, পরিসংখ্যান ঘেঁটে দেখা যায়, এর আগেও ২০০৯ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত ভারতের কাছে টানা আট ম্যাচে হেরেছিল তারা।

ভারতের বিপক্ষে আফগানদের সাম্প্রতিক এই ধারাবাহিক ব্যর্থতার সূচনা ২০১০ সালে তাদের টি-টোয়েন্টি অভিষেকের পর থেকেই। এখন পর্যন্ত ক্রিকেটের এই সংস্করণে ভারতকে কখনোই হারাতে পারেনি আফগানরা। যদিও ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসে একটি ম্যাচ টাই করতে সক্ষম হয়েছিল তারা, কিন্তু শেষ পর্যন্ত সুপার ওভারে গিয়ে পরাজয় মেনে নিতে হয়। সিরিজের প্রথম ম্যাচে ভারতের কাছে হেরে তারা বাংলাদেশের নয় ম্যাচের রেকর্ড স্পর্শ করেছিল, আর দ্বিতীয় ম্যাচে হেরে এককভাবে দশ ম্যাচের টানা হারের রেকর্ড নিজেদের করে নিল।

পরিসংখ্যানে দেখা যায়, জিম্বাবুয়ে ও আয়ারল্যান্ডও অতীতে ভারতের বিপক্ষে টানা আটটি করে ম্যাচ হেরেছিল। তবে জিম্বাবুয়ে এই সংস্করণে ভারতের বিরুদ্ধে তিনটি জয় তুলে নিয়েছে, যার সর্বশেষটি এসেছিল ২০২৪ সালের জুলাই মাসে। অন্যদিকে আয়ারল্যান্ড টানা আট ম্যাচ হারের বৃত্ত ভেঙে ইতিহাস গড়েছিল চলতি ২০২৬ সালের জুন মাসে, যখন তারা টানা দুই ম্যাচে ভারতকে হারিয়ে সিরিজ জয়ের নজির স্থাপন করে। আফগানিস্তানের ব্যর্থতায় তালিকার শীর্ষ থেকে বাংলাদেশের নাম সরে গেলেও ভারতের বিপক্ষে মাঠের লড়াইয়ে জয়খরা কাটানোই টাইগারদের সামনে প্রধান পরীক্ষা হিসেবে বহাল থাকছে।