রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

স্বর্ণের বাজারে বড় পতন, নতুন দাম জানাল বাজুস

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৬, ১১:০৭ এএম

স্বর্ণের বাজারে বড় পতন, নতুন দাম জানাল বাজুস

স্বর্ণের নতুন দাম ঘোষণা

দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আবারও কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স এসোসিয়েশন বা বাজুস। এবার সবচেয়ে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা কমানো হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের বা পিওর গোল্ডের দাম কমে যাওয়ার কারণে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে তারা এই নতুন দাম নির্ধারণ করেছে। আজ ১৭ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টা থেকেই সারা দেশে নতুন এই মূল্য কার্যকর করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

নতুন নির্ধারিত মূল্য অনুযায়ী, এখন থেকে দেশের বাজারে প্রতি ভরি বা ১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম ২২ ক্যারেটের স্বর্ণ কিনতে ক্রেতাদের খরচ করতে হবে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। 

এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের মূল্য রাখা হয়েছে ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা। অন্যদিকে সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা। এর আগে ৯ ফেব্রুয়ারি সর্বশেষ যখন দাম সমন্বয় করা হয়েছিল, তখন স্বর্ণের দাম বর্তমান মূল্যের চেয়ে বেশি ছিল।

তবে বাজুসের পক্ষ থেকে পরিষ্কার জানানো হয়েছে যে, নির্ধারিত এই মূল্যের সঙ্গে ক্রেতাদের আবশ্যিকভাবে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুস কর্তৃক নির্ধারিত সর্বনিম্ন ৬ শতাংশ মজুরি যুক্ত করতে হবে। গয়নার নকশা এবং মানের ওপর ভিত্তি করে এই মজুরি বা মেকিং চার্জের তারতম্য হতে পারে বলে সংস্থাটি উল্লেখ করেছে। মূলত বিশ্ববাজার এবং স্থানীয় বাজারের স্বর্ণের দামের অস্থিরতা নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিয়মিত বিরতিতে এই ধরনের মূল্য সমন্বয় করে থাকে জুয়েলার্স মালিকদের এই প্রভাবশালী সংগঠন।

এর আগে চলতি মাসের ৯ তারিখে স্বর্ণের দাম ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়ানো হয়েছিল। তখন ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ছিল ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা। মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে দাম আবারও আগের অবস্থানে ফিরে এলো। স্বর্ণের দামের এই ওঠানামায় জুয়েলারি ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যেও মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, তেজাবি স্বর্ণের সরবরাহ এবং আন্তর্জাতিক বাজারে ডলারের বিপরীতে সোনার দামের প্রভাবই স্থানীয় বাজারে দামের এই পরিবর্তনের মূল কারণ।