মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

নতুন দামে আজ কিনতে হবে স্বর্ণ, ভরি কত?

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

এপ্রিল ২৪, ২০২৬, ১০:২৭ এএম

নতুন দামে আজ কিনতে হবে স্বর্ণ, ভরি কত?

স্বর্ণের দাম পুনর্নির্ধারণ

আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সংগতি রেখে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম পুনর্নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমানো হয়েছে। আজ শুক্রবার থেকে সারা দেশে নতুন এই মূল্য তালিকা কার্যকর হবে বলে বাজুসের পক্ষ থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নিশ্চিত করা হয়েছে।

বাজুসের নির্ধারিত নতুন দর অনুযায়ী, এখন থেকে ২২ ক্যারেটের এক ভরি অর্থাৎ ১১.৬৬৪ গ্রাম স্বর্ণ কিনতে ক্রেতাদের গুনতে হবে ২ লাখ ৪৬ হাজার ৯২৭ টাকা। গতকাল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত এই মানের স্বর্ণের বাজারদর আরও বেশি ছিল। স্থানীয় বাজারে তেজাবী স্বর্ণের দাম কমার কারণেই এই সমন্বয় করা হয়েছে বলে জানিয়েছে জুয়েলার্স মালিকদের এই সংগঠনটি।

স্বর্ণের অন্যান্য মান বা ক্যারেটের ক্ষেত্রেও দাম কিছুটা কমানো হয়েছে। নতুন মূল্য তালিকা পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩৫ হাজার ৬৭১ টাকা। 

এ ছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণ এখন থেকে বিক্রি হবে ২ লাখ ২ হাজার ২০ টাকায়। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ কিনতে ক্রেতাদের খরচ করতে হবে ১ লাখ ৬৪ হাজার ৫২১ টাকা।তবে সাধারণ ক্রেতাদের একটি বিষয় মনে রাখতে হবে যে, বাজুস নির্ধারিত এই মূল্যের সঙ্গেই চূড়ান্ত ক্রয়মূল্য নির্ধারিত হয় না। গয়না কেনার ক্ষেত্রে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুস নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি যোগ করা বাধ্যতামূলক। অবশ্য গয়নার নকশা এবং মানের ওপর ভিত্তি করে মজুরির এই হারে পরিবর্তন হতে পারে। ফলে শোরুম থেকে অলঙ্কার কেনার সময় ভরিপ্রতি চূড়ান্ত দাম কিছুটা বেশি হবে।

উল্লেখ্য যে, চলতি ২০২৬ সালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম নিয়ে ব্যাপক অস্থিরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা এবং দেশীয় বাজারে চাহিদার কারণে এ বছর এখন পর্যন্ত মোট ৫৬ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করতে হয়েছে বাজুসকে। এর মধ্যে মোট ৩২ বার দাম বাড়ানো হলেও ২৪ বার কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সাধারণ ক্রেতা ও ব্যবসায়ীদের জন্য এই ঘনঘন দামের পরিবর্তন একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাজুস জানিয়েছে, বিশ্ববাজারের পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করেই তারা নিয়মিত এই মূল্য সমন্বয় করে থাকে।