সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬, ০৬:০৯ পিএম
ভারতীয় রুপির বিপরীতে বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে গত দুই বছরে উল্লেখযোগ্য হারে শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করেছে বাংলাদেশি টাকা। দুই বছর আগের তুলনায় বর্তমানে এক টাকা ভাঙিয়ে আগের চেয়ে বেশি পরিমাণ ভারতীয় রুপি পাওয়া যাচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ বিনিময় হার পর্যালোচনায় দেখা যায়, গত দুই বছরে ভারতীয় রুপির বিপরীতে টাকার মান বেড়েছে প্রায় ১১ দশমিক ৬ শতাংশ।
এর মধ্যে কেবল গত এক বছরের ব্যবধানেই টাকার মূল্যমান বৃদ্ধি পেয়েছে ৭ দশমিক ৬ শতাংশ।
আর্থিক খাতের হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছরের ২২ সেপ্টেম্বর বাজারে এক টাকার বিপরীতে পাওয়া গেছে প্রায় শূন্য দশমিক ৭৮ ভারতীয় রুপি। ঠিক এক বছর আগে একই দিনে এই হার ছিল শূন্য দশমিক ৭২৬ রুপি। আর দুই বছর আগে অর্থাৎ ২০২৪ সালের ২২ সেপ্টেম্বর এক টাকা দিয়ে পাওয়া যেত প্রায় শূন্য দশমিক ৭০০ ভারতীয় রুপি।
উল্টো দিক থেকে বিশ্লেষণ করলেও রুপির অবমূল্যায়ন এবং টাকার দৃঢ় অবস্থান স্পষ্ট ফুটে ওঠে।
বর্তমানে একটি ভারতীয় রুপি কিনতে একজন বাংলাদেশির ব্যয় হচ্ছে প্রায় ১ টাকা ২৮ পয়সা। অথচ ঠিক এক বছর আগে একটি ভারতীয় রুপি সংগ্রহের পেছনে গুনতে হতো ১ টাকা ৩৭ পয়সা। ফলে এক বছরের ব্যবধানে একটি রুপি কেনার খরচ কমেছে প্রায় ৯ দশমিক ৭২ পয়সা। এর আগে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে একটি রুপির পেছনে গুনতে হতো প্রায় ১ টাকা ৪৩ পয়সা।
টাকার এই শক্তিশালী অবস্থানের কারণে সাধারণ বাংলাদেশিদের জন্য ভারতে যাতায়াত এবং অবস্থান আগের চেয়ে কিছুটা সাশ্রয়ী হয়েছে। বিশেষ করে চিকিৎসা, শিক্ষা ভ্রমণ কিংবা অবকাশ যাপনে যারা নিয়মিত ভারতে যান, তারা হোটেল বুকিং, স্থানীয় খাবার ও অভ্যন্তরীণ পরিবহনে মুদ্রার দিক থেকে কিছুটা স্বস্তি পাচ্ছেন।
তবে ভ্রমণ ব্যয়ের এই সাশ্রয়ী হিসাবের পাশাপাশি সার্বিক বাজার পরিস্থিতি, পরিবহন টিকিট ও ভারতীয় অভ্যন্তরীণ মূল্যস্ফীতির বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ বলে মত দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন