জুলাই ২৭, ২০২৬, ০৮:৩৩ পিএম
চট্টগ্রামের আনোয়ারায় নির্মাণাধীন চায়না ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোনে (সিইআইজেড) প্রাথমিক ধারনার চেয়ে অনেক বেশি অর্থাৎ ১ বিলিয়ন বা ১০০ কোটি মার্কিন ডলারের বেশি বিনিয়োগ অর্জিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। সোমবার দুপুরে আনোয়ারার বেলচূড়া এলাকায় বাংলাদেশ-চীন যৌথ মালিকানাধীন এই বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের উন্নয়নকাজের আনুষ্ঠানিক ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
জাতীয় অর্থনীতি পুনর্গঠনের লক্ষ্য তুলে ধরে তিনি উল্লেখ করেন, ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত করার যে সুনির্দিষ্ট পথনকশা তৈরি করা হয়েছে, আজকের এই বিশাল বিনিয়োগ সেই মাইলফলক অর্জনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।দক্ষিণ চট্টগ্রামের সামগ্রিক অর্থনীতিতে এই প্রকল্প এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করল।
প্রকল্পের কর্মসংস্থান সক্ষমতা প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, আনোয়ারার এই বিশেষ শিল্পাঞ্চলে ১ লাখেরও বেশি দেশীয় মানুষের সরাসরি কর্মসংস্থানের বিশাল সুযোগ তৈরি হবে। এখানে কেবল ভারী শিল্পকারখানাই গড়ে উঠবে না, বরং এর পাশাপাশি আবাসন, পরিবহন, আঞ্চলিক লজিস্টিকস, সেবাখাত এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য এক বিশাল সহযোগী বাজার তৈরি হবে। একই সাথে তিনি চীনা বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে সরাসরি তালিকাভুক্ত হয়ে উন্নয়ন তহবিল সংগ্রহের আহ্বান জানান। চট্টগ্রাম অঞ্চলে প্রয়োজনীয় দক্ষ জনবল তৈরিতে একটি আধুনিক দক্ষতা উন্নয়ন কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার জন্য তিনি বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূতের প্রতি অনুরোধ জানান।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ও ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন। বক্তারা উল্লেখ করেন, এন-১ জাতীয় মহাসড়ক, কর্ণফুলী টানেল ও চট্টগ্রাম বন্দরের নিকটবর্তী হওয়ায় স্থানটির ভৌগোলিক সুবিধা অসাধারণ। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন, বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী, সিইআইজেড-এর চেয়ারম্যান ওয়াং বেনচিয়ান, স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং দেশি-বিদেশি শিল্প উদ্যোক্তারা অংশগ্রহণ করেন।পরিবেশবান্ধব ও টেকসই পরিকাঠামো নিশ্চিত করেই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন