আগস্ট ২৮, ২০২৫, ১০:২৯ এএম
দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ফের ৩১ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করেছে। প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্সে উচ্চ প্রবৃদ্ধি, রপ্তানি আয় বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার ঋণ সহায়তার কারণে এই ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে।
বুধবার (২৭ আগস্ট) দিন শেষে দেশের গ্রস রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩১.৩৩ বিলিয়ন ডলার। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভ হয়েছে ২৬.৩১ বিলিয়ন ডলার।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহে এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নে (আকু) ২০২ কোটি ডলার পরিশোধের পর গ্রস রিজার্ভ কমে ২৯.৫৩ বিলিয়ন ডলারে নেমেছিল। আর বিপিএম-৬ অনুযায়ী তা নেমে আসে ২৪.৫৬ বিলিয়ন ডলারে।
গত ২৪ আগস্ট গ্রস রিজার্ভ ছিল ৩০.৮৬ বিলিয়ন ডলার এবং বিপিএম-৬ অনুযায়ী ২৫.৮৭ বিলিয়ন ডলার। মাত্র তিন দিনের ব্যবধানে এই উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি অর্থনীতির জন্য সুসংবাদ বয়ে এনেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দেশের ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভের পরিমাণ ২০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। এই পরিমাণ রিজার্ভ দিয়ে প্রতি মাসে সাড়ে ৫ বিলিয়ন ডলার হিসেবে সাড়ে তিন মাসের বেশি আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব। প্রসঙ্গত, একটি দেশের ন্যূনতম তিন মাসের আমদানি খরচের সমান রিজার্ভ থাকা আন্তর্জাতিক মানদণ্ড হিসেবে বিবেচিত হয়।
এই রিজার্ভ বৃদ্ধি দেশের বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য রক্ষা করবে এবং আমদানি কার্যক্রমকে আরও স্থিতিশীল করতে সাহায্য করবে বলে মনে করছেন অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা।