রবিবার, ০৮ নভেম্বর, ২০২৬,
আইন ও আদালত

নতুন আইনি বিপাকে পড়লেন তানজিন তিশা

বিনোদন ডেস্ক

নভেম্বর ৮, ২০২৬, ০৮:৪৯ পিএম

নতুন আইনি বিপাকে পড়লেন তানজিন তিশা

ছবি: সংগৃহীত

জনপ্রিয় ছোটপর্দার অভিনেত্রী তানজিন তিশাকে ঘিরে চলমান বিতর্ক থামার কোনো লক্ষণ নেই। আলোচিত শাড়িকাণ্ডের ঘটনায় ইতোমধ্যেই আইনি ঝামেলায় জড়ানোর পর, প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় জামিনে থাকা এই অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে এবার নতুন করে মানহানির অভিযোগে আরও একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

গত রোববার (৮ নভেম্বর) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামালউদ্দীনের ২৩ নম্বর আদালতে মামলাটি দায়ের করেন ফ্যাশন ডিজাইনার সানায়া আনাম ওয়াফিকাহ চৌধুরী। দণ্ডবিধির ৫০০ ও ৫০১ ধারায় দায়ের করা এই সি.আর মামলার নম্বর ১৩৭১। আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে তা যথাযথ তদন্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলার বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন বাদীপক্ষের আইনজীবী শুভ্র সিনহা রায়।

এর আগে মানহানি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপত্তিকর ছবি প্রকাশ এবং সাইবার হয়রানির সুনির্দিষ্ট অভিযোগে তানজিন তিশাকে একটি আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছিল। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শুভ্র সিনহা রায়ের চেম্বার থেকে পাঠানো ওই নোটিশে দুই দিনের একটি কড়া সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। তবে নির্ধারিত সেই সময়ের মধ্যে নোটিশের কোনো সন্তোষজনক জবাব বা প্রতিক্রিয়া না পাওয়ায় বাধ্য হয়েই আদালতে মামলা করতে হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাদীপক্ষ।

আইনি নোটিশে সুনির্দিষ্টভাবে অভিযোগ করা হয়, গত ২৭ অক্টোবর তানজিন তিশার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ফ্যাশন ডিজাইনার সানায়ার বিরুদ্ধে বেশ কিছু আপত্তিকর ছবি ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশ করা হয়। এর ফলে তার ব্যক্তিগত সামাজিক সম্মান এবং পেশাগত সুনাম মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে দাবি করেন সানায়া। এছাড়া ফেসবুক মেসেঞ্জারে ছবি প্রকাশের হুমকি প্রদান এবং কোনো ধরনের অনুমতি না নিয়েই ব্যক্তিগত ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার গুরুতর অভিযোগও তোলা হয়েছে।

এদিকে, গত ২৬ অক্টোবর সানায়ার পক্ষ থেকে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগে তানজিন তিশার বিরুদ্ধে ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আরও একটি মামলা দায়ের করা হয়েছিল। ওই মামলায় আদালত তিশার বিরুদ্ধে সমন জারি করে আগামী ২৩ নভেম্বর মধ্যে আদালতে সশরীরে হাজির হওয়ার নির্দেশ প্রদান করেছেন।

বাদী সানায়ার অভিযোগ, আগের একটি মামলার পুলিশি তদন্ত প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে আদালতে নারাজি আবেদন দাখিল করা হলে বিচারক তা মঞ্জুর করেন। এরপর মামলাটি অধিকতর পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্তের জন্য পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগে (সিআইডি) স্থানান্তরিত করা হয়। আর ঠিক তার পরপরই তাকে বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়া শুরু হয় বলে দাবি করেছেন সানায়া।