জুন ২, ২০২৬, ০৯:০৫ পিএম
গ্যারেজে যাওয়ার পথে ভারতের ২৫ বছর বয়সী তরুণ ভেরেলের প্যান্টের পেছনে একটি রানি মৌমাছি উড়ে এসে বসার পর সেখানে হাজার হাজার মৌমাছির এক বিশাল ঝাঁক জমা হয়। পোশাকে আচমকা রানি মৌমাছিটি অবস্থান নেওয়ায় কর্মী মৌমাছিরা ওই যুবকের পেছনের অংশকেই তাদের সম্পূর্ণ নতুন সাময়িক বাসা বা চাক হিসেবে বেছে নেয়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই অদ্ভুত ও চরম ঝুঁকিপূর্ণ ঘটনার একটি ভিডিও নতুন করে পোস্ট করার পর তা মুহূর্তের মধ্যে বিশ্বজুড়ে ব্যাপক ভাইরাল হয়েছে।ভয়াবহ এই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির মুখে সামান্যতম নড়াচড়া করলেই শত শত বিষাক্ত হুল ফোটার চরম আশঙ্কায় ওই তরুণ সম্পূর্ণ নিশ্চল হয়ে দাঁড়িয়ে থাকেন।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ‘দ্যা সান’ পূর্বে এই অদ্ভুত ভিডিওটি প্রথম প্রকাশ করলেও সম্প্রতি একটি জনপ্রিয় এক্স হ্যান্ডল থেকে এটি পুনরায় শেয়ার করা হয়। কোনো ধরনের তাড়াহুড়ো বা আতঙ্ক প্রকাশ না করে ভেরেল প্রায় ৩০ মিনিটেরও বেশি সময় ধরে এক জায়গায় মূর্তির মতো স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে নিজের জীবন রক্ষা করেন।
চারপাশে সাধারণ মানুষের চরম হইচই ও তীব্র বিশৃঙ্খলা চললেও তিনি কেবল সঠিক সুযোগের অপেক্ষায় নিজের মানসিক পরম দৃঢ়তা বজায় রেখেছিলেন।মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়িয়েও এমন অভূতপূর্ব আত্মনিয়ন্ত্রণ ও অসীম সাহসিকতা প্রদর্শনের জন্য নেটদুনিয়ার সাধারণ ব্যবহারকারীরা ওই তরুণের ভূয়সী প্রশংসা করছেন।শেষ পর্যন্ত অন্য এক বন্ধুর বুদ্ধিমত্তায় একটি নিরাপদ পাত্রের ভেতরে রানি মৌমাছিটিকে সাবধানে ঢুকিয়ে ফেলতে সক্ষম হলে বাকি ঝাঁকটি দ্রুত ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়।
প্রধান রানি মৌমাছিটিকে শরীর থেকে সম্পূর্ণ আলাদা করার পর হাজার হাজার বিষাক্ত মধুমক্ষিকার আক্রমণ থেকে চূড়ান্তভাবে রক্ষা পেয়ে হাঁফ ছেড়ে বাঁচেন ওই যুবক। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন যে মৌমাছির এমন আকস্মিক আক্রমণের শিকার হলে মানুষের মারাত্মক শারীরিক ক্ষতিসহ অনেক সময় অবহেলায় প্রাণহানির সুনির্দিষ্ট ঝুঁকিও তৈরি হতে পারে।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন