রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

৬ অভ্যাসে বাড়াচ্ছেন চুল পড়া ও খুশকির সমস্যা: জেনে নিন প্রতিকার

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

ডিসেম্বর ৬, ২০২৫, ০৩:২৮ পিএম

৬ অভ্যাসে বাড়াচ্ছেন চুল পড়া ও খুশকির সমস্যা: জেনে নিন প্রতিকার

শীতকাল এলেই খুশকি, মাথা চুলকানো আর চুল পড়ার মতো সমস্যা যেন আরও বেড়ে যায়। আমরা অনেক সময় বুঝতেই পারি না যে আমাদের নিজেদের কিছু ছোটখাটো ভুলই মাথার ত্বক বা স্ক্যাল্পকে দুর্বল করে দিচ্ছে। নিয়মিত চুল না ধোওয়া, বারবার হিট স্টাইলিং করা কিংবা ড্রাই শ্যাম্পুর ওপর অতিরিক্ত ভরসা—এসব ভুল লাইফস্টাইল অভ্যাসের কারণে স্ক্যাল্প শুষ্ক হয়ে খুশকি বাড়ায়।

সুখবর হলো, মাত্র কয়েকটি অভ্যাস বদলালেই এই ঝামেলা অনেকটা কমানো যায় এবং সারাদেশের মানুষ এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারে।

প্রথমত, চুল না ধোওয়া খুশকির মূল কারণ। কাজের ব্যস্ততায় অনেকেই কয়েক দিন পরপর চুল ধোন। এতে মাথায় তেল, ঘাম আর মৃত কোষ জমে ছত্রাক তৈরি হয়, যা খুশকির জন্য দায়ী।

তেলতেলে স্ক্যাল্প হলে একদিন পরপর শ্যাম্পু করা ভালো, আর শুষ্ক স্ক্যাল্পে একটু বিরতি নিয়ে চুল ধুলেই চলে। দ্বিতীয়ত, ড্রাই শ্যাম্পু বেশি ব্যবহার করলে ত্বক শুকিয়ে যায়। ড্রাই শ্যাম্পু জরুরি সময়ে কাজে লাগলেও এর পাউডার ও তেল জমে চুলকানি বাড়ায়। তাই প্রয়োজনেই ব্যবহার করা উচিত, নিয়মিত চুল ধোওয়াই সবচেয়ে ভালো অভ্যাস।তৃতীয়ত, খুব টাইট হেয়ারস্টাইল রক্ত চলাচল কমিয়ে চুলের গোড়ায় টান লাগায়, এতে স্ক্যাল্প শুষ্ক হয়ে চুলের গোড়া দুর্বল হয়। তাই সবসময় টাইট স্টাইল না করে মাঝে মাঝে চুল খোলা রাখা এবং নরম কাপড়ের স্ক্রাঞ্চি ব্যবহার করা উচিত।

চতুর্থত, হিট স্টাইলিংয়ের অতিরিক্ত ব্যবহার যেমন হেয়ার ড্রায়ার, স্ট্রেটনার বা কার্লিং আয়রন বারবার ব্যবহার করলে স্ক্যাল্পের প্রাকৃতিক তেল নষ্ট হয়। মাথার ত্বক শক্ত ও শুষ্ক হয়ে খুশকি আরও বাড়ে। খুব দরকার হলে হিট প্রোটেকশন ব্যবহার করে প্রাকৃতিকভাবে চুল শুকাতে দিন। পঞ্চমত, বেশি সুগন্ধযুক্ত প্রোডাক্ট ব্যবহার স্ক্যাল্পে অ্যালার্জি ও জ্বালা ধরাতে পারে। তাই চেষ্টা করুন অ্যালকোহল ও ফ্র্যাগরেন্স ছাড়া পণ্য ব্যবহার করতে।

ষষ্ঠত, জীবনযাত্রার প্রভাবও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অস্বাস্থ্যকর খাবার, ঘুমের অভাব এবং স্ট্রেস বা মানসিক চাপ—এই তিনই স্ক্যাল্পের তেলের ভারসাম্য নষ্ট করে। যথেষ্ট পানি পান করা, পুষ্টিকর খাবার খাওয়া এবং মানসিক চাপ কমানো স্ক্যাল্পকে সুস্থ রাখে। এই অভ্যাসগুলো পরিবর্তন করে স্বাস্থ্যকর লাইফস্টাইল বজায় রাখা দরকার।