রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

নিবন্ধিত ৬০ দলের মধ্যে অংশ নিচ্ছে কতটি, জানাল ইসি

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

জানুয়ারি ২১, ২০২৬, ১০:২৩ এএম

নিবন্ধিত ৬০ দলের মধ্যে অংশ নিচ্ছে কতটি, জানাল ইসি

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাঠ এখন পুরোপুরি প্রস্তুত। আজ প্রতীক বরাদ্দের পর আগামীকাল থেকেই প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিকভাবে ভোটের প্রচারণায় নামবেন। নির্বাচন কমিশন (ইসি) জানিয়েছে, বর্তমানে নিবন্ধিত ৬০টি রাজনৈতিক দলের মধ্যে ৪৯টি দল এই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছে। গতকাল মঙ্গলবার প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিনে ৩০৫ জন প্রার্থী সরে দাঁড়ানোয় এখন চূড়ান্তভাবে ১ হাজার ৯৬৭ জন প্রার্থী নির্বাচনী লড়াইয়ে থাকছেন।

নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে বড় দলগুলোর মধ্যে বিএনপির ২৯০ জন, জামায়াতে ইসলামীর ২১৬ জন এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ২৫৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। 

এছাড়া জাতীয় পার্টির (জাপা) ১৯৬ জন, গণঅধিকার পরিষদের ৯২ জন এবং নতুন নিবন্ধিত জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ৩০ জন প্রার্থী মাঠে রয়েছেন। দলীয় প্রার্থীদের বাইরে এবার তিন শতাধিক স্বতন্ত্র প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন, যার মধ্যে একটি বড় অংশ বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি), জাতীয় পার্টি (জেপি), বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), বিএনপি, জাতীয় পার্টি (জাপা), বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি), জাকের পার্টি, বাসদ, বিজেপি, গণফোরাম, এবি পার্টি, গণঅধিকার পরিষদ, নাগরিক ঐক্য, গণসংহতি আন্দোলন এবং নবনিবন্ধিত এনসিপিসহ মোট ৪৯টি দল হাতপাখা, ধানের শীষ, দাঁড়িপাল্লা ও লাঙ্গলসহ নিজ নিজ প্রতীকে লড়াই করবে।

নিবন্ধিত হলেও ১১টি রাজনৈতিক দল এবারের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছে না। এর মধ্যে অন্যতম হলো কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়া ও নিবন্ধন স্থগিত থাকা আওয়ামী লীগ। এছাড়া আওয়ামী লীগের দীর্ঘদিনের মিত্র ১৪ দলীয় জোটের শরীক দলগুলোর একটি বড় অংশও এবারের নির্বাচনের বাইরে। এই তালিকায় রয়েছে—বাংলাদেশের সাম্যবাদী দল (এমএল), কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি, বিকল্প ধারা বাংলাদেশ, তরিকত ফেডারেশন, জাসদ (ইনু), জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) এবং তৃণমূল বিএনপি।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য এই নির্বাচনে প্রায় ১২ কোটি ৭৭ লাখ ভোটার তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। এবারই প্রথমবারের মতো প্রবাসীরা পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। নির্বাচন কমিশন আশা করছে, অধিকাংশ রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণের ফলে এবারের নির্বাচন হবে উৎসবমুখর ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ।