মার্চ ১২, ২০২৬, ১২:২৯ পিএম
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঐতিহাসিক প্রথম অধিবেশনে অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আজ থেকে বাংলাদেশে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত ও কাঙ্ক্ষিত গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু হলো। বৃহস্পতিবার ১২ মার্চ বেলা ১১টায় ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে এই অধিবেশন শুরু হয়। ২০২৬ সালের এই প্রথম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তার স্বাগত ভাষণে চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী ছাত্র-জনতার প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, জনগণের অসামান্য আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত এই সংসদ দেশের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রকৃত প্রতিফলন ঘটাবে।প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে দল-মত নির্বিশেষে দেশের সকল মানুষের প্রতিনিধিত্ব করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
তিনি স্পষ্টভাবে বলেন যে, প্রতিটি পরিবারকে স্বনির্ভর করে তোলাই তার সরকারের প্রধান ও অন্যতম লক্ষ্য। এই স্বনির্ভরতার ওপর ভিত্তি করেই একটি সমৃদ্ধ ও শক্তিশালী বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চায় বিএনপি। তিনি এই বিশাল কর্মযজ্ঞে রাজনৈতিক বিভেদ ভুলে সকল সংসদ সদস্যসহ দেশের আপামর জনসাধারণের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন।
প্রধানমন্ত্রী মনে করেন, দেশের উন্নয়ন ও স্বনির্ভরতা অর্জনে কোনো বিরোধ থাকতে পারে না এবং এই লক্ষ্য অর্জনে সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবে।এর আগে অধিবেশনের শুরুতে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের পর প্রধানমন্ত্রী তার ভাষণ শুরু করেন। বক্তব্যের একটি বড় অংশ জুড়ে ছিল জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন। তিনি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও সংগ্রামে যারা জীবন দিয়েছেন, তাদের পরম শ্রদ্ধায় স্মরণ করেন।
বিশেষ করে তিনি বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে বলেন, তিনি আজীবন গণতন্ত্রের জন্য আপসহীন লড়াই করেছেন এবং কোনো অপশক্তির কাছে মাথা নত করেননি। এছাড়া আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদানের কথা উল্লেখ করে তার প্রতিও বিনম্র শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী। অধিবেশনের এই পর্যায়ে বীর বিক্রম মেজর অব. হাফিজ উদ্দিন আহমদকে সংসদের নতুন স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত করার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন