সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬, ০৬:০৯ পিএম
সরকারি কর্মচারীদের সাধারণ ভবিষ্য তহবিল (জিপিএফ) ও প্রদেয় ভবিষ্য তহবিল (সিপিএফ)-এর ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য স্তরভিত্তিক মুনাফার হার চূড়ান্ত করেছে সরকার। তহবিলের প্রারম্ভিক স্থিতির ওপর মুনাফার কাঠামো আগের মতো থাকলেও নতুন জমাকৃত চাঁদার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ মুনাফার হার ১২ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১৩ শতাংশ করা হয়েছে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের প্রবিধি অনুবিভাগের প্রবিধি-১ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেছেন প্রবিধি-১ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব মোহাম্মদ নাহিদুল করিম।
জারি করা প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, সাধারণ ভবিষ্য তহবিলের প্রারম্ভিক স্থিতি ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত থাকলে মুনাফার হার হবে ১৩ শতাংশ। প্রারম্ভিক স্থিতি ১৫ লাখ এক টাকা থেকে ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত হলে মুনাফা পাওয়া যাবে ১২ শতাংশ হারে এবং ৩০ লাখ এক টাকা থেকে তদূর্ধ্ব স্থিতির ক্ষেত্রে ১১ শতাংশ হারে মুনাফা প্রদান করা হবে। প্রারম্ভিক স্থিতির এই তিনটি স্তর আগের অর্থবছরের মতোই অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।
চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে জমাকৃত চাঁদার ক্ষেত্রেও স্তরভিত্তিক এই হার কার্যকর হবে। এর আওতায় ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত জমাকৃত চাঁদায় ১৩ শতাংশ, ১৫ লাখ এক টাকা থেকে ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত ১২ শতাংশ এবং ৩০ লাখ এক টাকা থেকে তদূর্ধ্ব জমার ক্ষেত্রে ১১ শতাংশ মুনাফা প্রযোজ্য হবে।
আগের ২০২৫-২৬ অর্থবছরে জমাকৃত চাঁদার ক্ষেত্রে ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ১২ শতাংশ এবং ১৫ লাখ টাকার বেশি জমার ক্ষেত্রে ১১ শতাংশ মুনাফা নির্ধারিত ছিল। ফলে নতুন অর্থবছরে ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত জমাকৃত চাঁদার ক্ষেত্রে মুনাফার হার এক শতাংশীয় পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, নির্ধারিত এই হারগুলো ১৯৭৯ সালের সাধারণ ভবিষ্য তহবিল বিধিমালার ১২(১) বিধি এবং ১৯৭৯ সালের প্রদেয় ভবিষ্য তহবিল বিধিমালার ১২ বিধির ক্ষমতা অনুযায়ী কার্যকর করা হয়েছে। এতে আরও বলা হয়, সব প্রদেয় ভবিষ্য তহবিলভুক্ত প্রতিষ্ঠানের আর্থিক সক্ষমতা এক নয়। স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা, করপোরেশনসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের নিজস্ব আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায় নিয়ে প্রজ্ঞাপনে নির্ধারিত হারকে সর্বোচ্চ সীমা ধরে নিজস্ব কর্মচারীদের জন্য মুনাফার হার নির্ধারণ করতে পারবে।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন