অক্টোবর ৫, ২০২৫, ০৪:২৩ পিএম
নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী অপূর্ব পালের বিরুদ্ধে পবিত্র কুরআন অবমাননার অভিযোগের ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন দেশের পরিচিত ইসলামি স্কলার শায়খ আহমাদুল্লাহ। তিনি এই ঘটনাকে ধর্মীয় দাঙ্গা বাধানোর সুস্পষ্ট উসকানি হিসেবে অভিহিত করে অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেছেন। পাশাপাশি, ধর্ম অবমাননা রোধে কঠোর ও সুস্পষ্ট আইন প্রণয়নের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
রোববার (৫ অক্টোবর) শায়খ আহমাদুল্লাহ তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এই প্রতিক্রিয়া জানান। তিনি লেখেন, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে যা ঘটেছে, তা পূর্বের সব অপকর্মকে ছাড়িয়ে গেছে। কুরআন পদপিষ্ট করার ভিডিওটি যারাই দেখেছেন, সবারই নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে যাওয়ার কথা।
অপূর্ব পালকে ‘মানসিক রোগী’ হিসেবে আখ্যায়িত করার চেষ্টার সমালোচনা করে শায়খ আহমাদুল্লাহ প্রশ্ন তোলেন, একজন মানসিক রোগী কীভাবে দেশের নামকরা প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারে এবং মানসিক রোগীরা কেন বারবার ইসলাম ধর্মের ওপরই আক্রমণ করে।
এই ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষও দায় এড়াতে পারে না বলে তিনি মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ঘটনাটি ভাইরাল হওয়ার আগ পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অপূর্ব পালের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। এমন ছাত্রকে প্রশ্রয় দেওয়ার অপরাধে তাদের ক্ষমা চাইতে হবে।
এর আগে, শনিবার রাতে অভিযুক্ত অপূর্ব পালকে জনরোষ থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। ভাটারা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোস্তাফিজুর জানান, হামলায় আহত হওয়ায় অপূর্বকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। এরপর রোববার ভোরে তাকে ধর্ম অবমাননার মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।



দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন