অক্টোবর ৬, ২০২৫, ০৫:১৫ পিএম
ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থানকে একটি ‘বিচারিক আইনি প্রক্রিয়া’ হিসেবে অভিহিত করেছেন ভারতের পররাষ্ট্রসচিব বিক্রম মিশ্রি। তিনি বলেছেন, এই জটিল বিষয়টি সমাধানের জন্য বাংলাদেশ ও ভারত—দুই দেশের সরকারের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ও আলোচনা প্রয়োজন এবং নয়াদিল্লি এ নিয়ে বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কাজ করতে উন্মুখ।
সোমবার (৬ অক্টোবর) নয়াদিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সাংবাদিকদের সংগঠন ডিক্যাবের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এই মন্তব্য করেন।শেখ হাসিনার বিষয়ে এর চেয়ে বেশি মন্তব্য করা এই মুহূর্তে ‘গঠনমূলক’ হবে না বলে তিনি উল্লেখ করেন। ভারত কি শেখ হাসিনাকে পুনর্বহাল করার চেষ্টা করছে—এমন প্রশ্নের জবাবে বিক্রম মিশ্রি সরাসরি বলেন
ভারত কেবল বাংলাদেশে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনকে সমর্থন করে, যাতে জনগণ তাদের পছন্দের সরকারকে ম্যান্ডেট দিতে পারে।তিনি বলেন, “বাংলাদেশের জনগণ তাদের প্রতিনিধিত্ব করার জন্য যে সরকারকেই বেছে নেবে, আমরা সেই সরকারের সঙ্গেই কাজ করব।”
পররাষ্ট্রসচিব আরও বলেন, বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষ আগামী ফেব্রুয়ারির মধ্যে নির্বাচনের একটি সময়সীমার ইঙ্গিত দিয়েছে, যা ভারতকে উৎসাহিত করেছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, নির্বাচন কেমন হবে বা এর শর্তাবলি কী হবে, তা নির্ধারণ করার দায়িত্ব সম্পূর্ণভাবে বাংলাদেশের জনগণের। তবে এই সিদ্ধান্তের যে একটি মাঝারি ও দীর্ঘমেয়াদি পরিণতি রয়েছে, সে বিষয়টিও তিনি স্মরণ করিয়ে দেন।
আলোচনাকালে তিনি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য বাংলাদেশের শান্তি, অগ্রগতি ও স্থিতিশীলতাকে ভারত সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয় বলে জানান এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে এমন যেকোনো ধরনের প্রতিহিংসামূলক বক্তব্য এড়াতে উভয় পক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।



দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন